ফখরুল Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

79541_fakhrul.jpg

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ না নেয়ায় বগুড়া-৬ আসনে ২৪ জুন ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ আসনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৩ মে, বাছাই ২৭ মে, প্রত্যাহার ৩ জুন ও প্রতীক বরাদ্দ ৪ জুন।

বুধবার ইসির যু্গ্ম-সচিব এসএম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি আরো বলেন, ভোট গ্রহণের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সকাল ৮টার পরিবর্তে এ আসনে সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু করা হবে এবং বিকেল ৪টার পরিবর্তে ভোটগ্রহণ শেষ হবে বিকেল ৫টায়।

এছাড়া এ আসনের সব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

গত ৩০ এপ্রিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসন শূন্য ঘোষণা করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। নিয়ম অনুযায়ী সেদিন ছিল শপথ নেয়ার শেষ দিন।

এর আগের দিন (২৯ এপ্রিল) বিএনপি থেকে নির্বাচিত চারজন শপথ নিলেও শপথ নেননি মির্জা ফখরুল।

আসন শূন্য ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকার বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ৯০ দিনের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ নেয়ার কথা। কিন্তু তিনি অসমর্থ হওয়ায় তার আসনটি শূন্য হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণের অসমর্থ হওয়ায় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৭৮ (৩) অনুযায়ী বিষয়টি সংসদকে অবহিত করার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী বিষয়টি সংসদকে অবহিত করা হলো।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র ছয়টি আসনে জয় পায় বিএনপি। গণফোরামের দু’টি মিলিয়ে ঐক্যফ্রন্ট পায় মোট আটটি আসন।

নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন তারা। নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে।

এসবের মধ্যেই শপথ নেন গণফোরামের সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান।

এরপর ২৫ এপ্রিল শপথ নেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী হওয়া জাহিদুর রহমান। এর জেরে ২৭ এপ্রিল তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জাহিদুরকে ২৭ এপ্রিল বহিষ্কার করা হলেও ২৯ এপ্রিল শপথ নেন বিএনপির আরও চারজন। তারা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুনুর রশীদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া এবং বগুড়া-৪ আসনের মোশাররফ হোসেন।

উল্লেখ্য, বগুড়ার এই আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। তিনি পেয়েছিলেন ২ লাখ ৫ হাজার ৯৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম ওমর পেয়েছিলেন ৩৯ হাজার ৯৬১ ভোট।

mfakhrul.jpg

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় সংসদে যাওয়ার ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যখন আমরা বলেছিলাম সংসদে যাব না। ওই সিদ্ধান্তটা সঠিক ছিল না। কারণ আমাদের পার্লামেন্টেও লড়াই করতে হবে। বাইরেও লড়াই করতে হবে।

রোববার (০৫ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্মিলিত ছাত্রফোরামে আয়োজনে সাবেক বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর ৪র্থ স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সংগঠনের আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইয়াসিন আলী, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

সস্তা স্লোগান দিলে চলবে না উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, আমাদের পথ বের করতে হবে। পজিটিভ চিন্তা করতে হবে। আমরা বসে থাকব না। পথ খুঁজব। দেশে সুশাসন নেই। বিচার বিভাগসহ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন হচ্ছে না। অর্থনীতির অবস্থা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর।

দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নেতাকর্মীদের বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের দলে এতোটুকুও সমস্যা নেই। দল ঐক্যবদ্ধ আছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার তার জামিন দিতে সরকার ভয় পায়। কারণ দেশনেত্রীকে মুক্তি দিলে হ্যামিলিয়নের বাশি ওয়ালার মতো তার পেছনে মানুষ ছুটে আসবে।

খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা দরকার এমন দাবি করে ফখরুল বলেন, কারারুদ্ধ অবস্থায় তার স্বাস্থ্যের কিছু হলে এর দায়দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।

নাসির উদ্দিন পিন্টুর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে কারাগারে হত্যা করা হয়েছে।

f3da.jpg

বিএনপির পাঁচজন নির্বাচিত সদস্যের মধ্যে প্রথম শপথ নিয়েছেন জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। জাহিদ শপথ নেওয়ার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বলা হয় যে, যারা শপথ গ্রহণ করবে তারা গণ দুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে। কিন্তু স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তের দুই দিনের মাথায় বিএনপির বাকি চারজনও শপথ গ্রহণ করেন। তখন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এটা দলীয় সিদ্ধান্তে করা হয়েছে।

কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে জাহিদুল ইসলাম জাহিদের বহিষ্কারাদেশ এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। তাহলে এক যাত্রায় দুই ফল কেন এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।

সাংসদ জাহিদ বলেন, ‘আমি শপথ গ্রহণের আগে তিনদফা দলের মহাসচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। এমনকি মহাসচিবের সঙ্গে কথা বলেই আমি সংসদ ভবনে যাই। তিনি আমাকে শপথও নিতে বলেছেন।’

জাহিদ আরও উল্লেখ করেছেন, ‘মহাসচিব আমাকে শপথ নিতে বলেছিলেন এবং বিএনপির মধ্যে এ নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া হয় সেটাও তিনি দেখতে চেয়েছিলেন। অথচ আজ তিনি সাধু হয়ে গেলেন আর আমাকে চোর বানালেন। আমাকে বহিষ্কারও করা হলো।’

‘আমি যদি শপথ নিয়ে অন্যায় করে থাকি, বাকি চারজন যারা শপথ নিলো, তারা কি ন্যায় করলো? আর এটা যদি দলীয় সিদ্ধান্তে হয়, তাহলে দলীয় সিদ্ধান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে মির্জা ফখরুল কেন বহিষ্কার হবেন না?’

‘কারণ, শপথ নেয়াটা যদি দলীয় সিদ্ধান্তে হয়ে থাকে তাহলে মির্জা ফখরুল শপথ না নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করেছেন। কাজেই তার বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।’

Mirza_Fakhrul.jpg

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বগুড়া-৬ শূন্য আসনে ভোট জুনের মাঝামাঝি করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেক্ষেত্রে ১৮ জুন ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখা জানায়, বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণার পর এ আসনে ভোট করার নিয়েছে ইসি। চলতি মাসে তফসিল দিয়ে জুনের মাঝামাঝি ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোটার তালিকাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি থাকায় দ্রুত এ আসনে ভোট করতে চায় ইসি।

ইসি সূত্র জানায়, ফখরুলের শূন্য আসনে ব্যালট পেপারের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে(ইভিএম) ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। কারণ আগামীতে প্রায় সব নির্বাচন ইভিএমে করতে চায় সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র জানায়, বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্দিষ্ট সময়ে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ। ফলে এ আসনটিতে নতুন করে ভোটের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সংসদ সদস্য নানা নাটকীয়তার পর শপথ নিলেও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল শপথ নেননি। তিনি বলেছেন, দলীয় সিদ্ধান্তেই তিনি শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকছেন।

এটা তাদের ‘কৌশলেরই অংশ’। সংবিধানের ৬৭ (১) এর ‘ক’ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথ নিতে না পারলে ওই সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে। তবে এ ৯০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে স্পিকার যথার্থ কারণে তা বাড়াতে পারেন।

একাদশ সংসদের কার্যক্রম ২৯ জানুয়ারি শুরু হওয়ায় ৯০ দিনের সেই সময়সীমা (২৯ এপ্রিল) সোমবার পেরিয়ে যায়। শেষ দিনে বিএনপির চারজন সংসদ সদস্য শপথ নেন, তার তিন দিন আগে নেন অন্য একজন।

জানা যায়, বিএনপি মহাসচিব শপথ নিতে কোন আবেদন না করায় ৩০ এপ্রিল রাতে সংসদ অধিবেশনে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ৯০ দিনের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নিতে অসমর্থ হওয়ায় তার আসনটি শূন্য হয়েছে।

জাতীয় সংসদের কোন আসন শূন্য হলে কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী তা সংসদকে জানাতে হয়; সেটাই জানান স্পিকার। কার্যপ্রণালী বিধির ১৭৮ (৩) বিধিতে বলা আছে, যদি কোন সদস্য তার আসন থেকে পদত্যাগ করেন কিংবা সংসদের অনুমতি না নিয়ে একাধিক্রমে ৯০ দিন বৈঠকে অনুপস্থিত থাকেন, কিংবা সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের (১) (ক) দফায় উল্লেখিত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথগ্রহণ করতে ও শপথ-পত্রে স্বাক্ষর প্রদান করতে ব্যর্থ হন কিংবা অন্য কোনভাবে সদস্য না থাকেন, তাহলে সংসদ অধিবেশনে স্পিকার তা সংসদের গোচরে আনবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ অধিবেশন না থাকলে পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্পিকার সংসদকে জানাবেন যে, অধিবেশন মধ্যবর্তী সময়ে ওই সদস্য পদত্যাগ করেছেন বা সদস্যপদ হারিয়েছেন।

election-building-20190502190630.jpg

সদ্য শূন্য হওয়া বগুড়া-৬ আসনে জুলাইয়ের শেষ দিকে উপনির্বাচন হতে পারে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি থেকে জয়ী হলেও তিনি শপথ না নেয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সংবিধান অনুযায়ী, শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সেই হিসাবে আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে আসনটিতে উপনির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ইসির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ উপনির্বাচনে জুনে তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আগামী সপ্তাহ থেকেই পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। এ জন্য জুলাইয়ের আগে বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ঈদের পর মধ্য জুনে বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল হতে পারে। জুলাইয়ের শেষ দিকে নির্বাচন হতে পারে।’

31-1.jpg

দেশের দুই মেগা প্রজেক্ট পদ্মাসেতু ও কর্ণফুলী টানেলকে অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সরকারে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তারা শেয়ার মার্কেট লুট করছে, ব্যাংক লুট করছে, মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা লুট করছে। আর তার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে, শ্রমজীবী মানুষকে। তাই আজকে আপনারা যারা মে দিবস পালন করছেন, আপনাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বুধবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে শ্রমিক দলের র‌্যালি উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সমস্ত শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক-শ্রমিক মেহনতি জনতা তাদের অধিকার হারিয়েছে। এ দুর্নীতিবাজ সরকার আমাদের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে, মানুষের পকেট কেটে নিয়ে দুর্নীতি করছে, সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে। তাদের বিরুদ্ধে আজ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শ্রমজীবী মানুষের টাকা ট্যাক্স হিসেবে কেটে নেয়া হয় এবং সেই টাকা দিয়ে তারা দুর্নীতির পদ্মা সেতু নির্মাণ করে, কর্নফুলী টানেল নির্মাণ করে—যা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়।’

মে দিবস অধিকার আদায়ের দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার একদিকে আমাদের ভোটের অধিকার লুট করেছে। অন্যদিকে আমাদের ভাতের অধিকার লুট করছে। শুধু গণতন্ত্র নয়, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আমাদের বেঁচে থাকার জন্য, অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জনগণের ঐক্য, শ্রমিক জনতার ঐক্য অত্যন্ত জরুরি।’

সরকার দুর্নীতিকে বৈধ করার জন্য সব কিছুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন শ্রমিকদের মর্যাদা নেই, ন্যায্য মুজুরি নেই, শ্রমিকেরা জীবনযাপন করেন একেবারে মানবেতর অবস্থায়।

প্রতিনিয়ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, বাসা ভাড়া বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।’তিনি আরও বলেন, ‘গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রি সবচেয়ে বেশি আয় করে। তাদের আয়ে বাংলাদেশ চলে। যারা বিদেশে কাজ করেন, তাদের রেমিটেন্সে বাংলাদেশ টিকে আছে। তাদের টাকাগুলোকে সরকার নষ্ট করে, অপচয় করে।’

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাসিম প্রমুখ। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন থেকে বের হওয়া শ্রমিক দলের র‌্যালি শান্তিনগর ঘুরে ফের নয়াপল্টনে এসে শেষ।

mfakhrul.jpg

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসন শূন্য ঘোষণা করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

নিয়ম অনুযায়ী আজই ছিল শপথ নেয়ার শেষ দিন। এর আগে গতকাল বিএনপির চারজন শপথ নিলেও শপথ নেয়া থেকে বিরত ছিলেন মির্জা ফখরুল।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকার বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ৯০ দিনের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ নেয়ার কথা। কিন্তু তিনি অসমর্থ হওয়ায় তার আসনটি শূন্য হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণের অসমর্থ হওয়ায় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৭৮ (৩) অনুযায়ী বিষয়টি সংসদকে অবহিত করার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী বিষয়টি সংসদকে অবহিত করা হলো।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র ছয়টি আসনে জয় পায় বিএনপি। গণফোরামের দুটি মিলিয়ে ঐক্যফ্রন্ট পায় মোট আটটি আসন।

নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন তারা। নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে।

এসবের মধ্যেই শপথ নিলেন গণফোরামের সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান।

এরপর ২৫ এপ্রিল শপথ নেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী হওয়া জাহিদুর রহমান। এর জেরে ২৭ এপ্রিল তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জাহিদুরকে ২৭ এপ্রিল বহিষ্কার করা হলেও ২৯ এপ্রিল শপথ নেন বিএনপির আরও চারজন। তারা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুনুর রশীদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া এবং বগুড়া-৪ আসনের মোশাররফ হোসেন।

এরপর আজ সকালে শপথ নেওয়ার সময় বৃদ্ধির আবেদন জানিয়ে মির্জা ফখরুল স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বলে একটি খবর ছড়িয়ে পড়লেও সন্ধ্যায় অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপি মহাসচিবের এ-সংক্রান্ত কোনো অফিসিয়ালি চিঠি স্পিকারের দফতরে পৌঁছায়নি।

বগুড়ার এই আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছিলেন ২ লাখ ৫ হাজার ৯৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম ওমর পেয়েছিলেন ৩৯ হাজার ৯৬১ ভোট।

fakhrul6.jpg

বিএনপির অনেক নেতা এখন ঢাকায় রিকশা চালাচ্ছেন ও হকারের কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি খুব ব্যক্তিগতভাবে জানি, আপনাদের অনেক সংবাদকর্মীর কাজ নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি যে অনেক সংবাদকর্মী অত্যন্ত আর্থিক কষ্টে আছেন।

এটাই হচ্ছে এখনকার রাষ্ট্রব্যবস্থা ও রাজনীতির পরিণতি। আমাদের বহু ছেলে আছেন যাঁরা ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল বা বিএনপি করেন। তারা ঢাকায় রিকশা চালাচ্ছেন, হকারের কাজ করছেন এবং অনেকে কাজ না পেয়ে আত্মহত্যা করছেন। এটা বাস্তবতা।”

রবিবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) বার্ষিক সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “আমরা যেমন আপনাদের সমস্যা বুঝি। ঠিক একইভাবে আমাদের সমস্যাগুলো আপনারা অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন।’ তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকেরা পত্রিকায় এক কলাম লিখে দিলেই আমার সারা জীবনের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে। তার আগে আপনি আমার সঙ্গে কথা বলবেন। কিন্তু অনেকে কষ্ট করে সেটুকুও করেন না। বোঝার চেষ্টা করেন না। নিজের একটা ধারণা থেকে সেটা বলে দেন। এটা দল, রাজনীতি এবং দেশের যে অবস্থা, সে অবস্থার ক্ষতি করছে।”

ফখরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আজকে রাজনীতিটা হচ্ছে না। অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ব্যবসা-বাণিজ্য, বাড়িঘর শেষ হয়েছে এবং অনেককে প্রাণও দিতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই ‘ফ্যাসিবাদী’ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসন দখল করে নিয়েছে। গণমাধ্যমের মালিকানা পুরোপুরিভাবে তারা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং সংবাদমাধ্যমের যে সংগঠন, সেই সংগঠনকে বিভক্ত করে দিয়ে তারা সেখানেও পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।

দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “ন্যায়ের জয় অবশ্যই হবে। অন্যায় পরাজিত হবে। সত্যের জয় হবেই। আর বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক ইতিহাস এবং জনগণের সংগ্রামের যে ইতিহাস, সেটা কখনো ব্যর্থ হয়নি। জয়ী আমরা হবোই।”

বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান, সাংবাদিক নেতা এম এ আজিজ, এম আবদুল্লাহ, কামাল উদ্দিন সবুজ, কাদের গনি চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।

khaleda-wheel-chair-20190319153146.jpg

বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখে এসে তিনি ‘অত্যন্ত অসুস্থ’ বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘ম্যাডাম বেশ অসুস্থ, অত্যন্ত অসুস্থ। উনি খেতে পারছেন না এখনো। এখনো তিনি পা বেন্ড করতে পারেন না। তার বাম হাত সেই আগের মতোই রয়ে গেছে। অর্থাৎ বাম হাতটায় কাজ করতে পারছেন না। এই অবস্থার মধ্যে তিনি আছেন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এক কথায় ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যথেষ্ট অসুস্থ আছেন। আগের চেয়ে খুব বেশি ইম্প্রুভ করেছে বলে আমাদের কাছে মনে হয়নি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বার বার যেটা বলেছিলাম যে, তার স্পেশালাইজড ট্রিটমেন্ট দরকার সে ট্রিটমেন্ট এখনো শুরু হয়েছে বলে আমাদের কাছে মনে হয়নি। আজকেও আমরা বলছি, তাঁর (খালেদা জিয়া) পছন্দমতো বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসকদের দিয়ে তাঁর চিকিৎসা করানো হোক। এটা জরুরি।’

কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ম্যাডাম দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বলেছেন যে, দেশবাসী যেন সচেতন হয় এবং এরজন্য কাজ করে।’

প্যারোলে মুক্তি ও সংসদে বিএনপির নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নেয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কিনা প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘না এসব বিষয়ে কোনো আলোচনা করিনি। আমরা তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে আসছিলাম, তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে দলের চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল ৪টা ৭ মিনিটে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান বিএসএমএমইউ’র কেবিন ব্লকে প্রবেশ করেন। বিকেল ৫টায় তারা বেরিয়ে আসেন।

গত ১ এপ্রিল থেকে খালেদা জিয়া এই ব্লকের ৬ তলায় ৬২১ নম্বর কক্ষে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই হাসপাতালে আসার পর এটিই নেতাদের সাথে খালেদা জিয়ার প্রথম সাক্ষাত।

সাক্ষাতের ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা অনেকদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম তাঁর (খালেদা জিয়া) সঙ্গে দেখা করার জন্য। তো আমাদেরকে এর আগে অনুমতি দেয়া হয়নি। প্রত্যেকবার বাই নেম দিয়ে দেয়। এটা আজকে দিয়েছে।’

fakhrul63.jpg

শুধু বিএনপি নয়, পুরো জাতি সংকটে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরে নিজ বাসবভনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশ এক ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছে। এই বেআইনি ও দখলদার সরকারের কারণে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ধংস হয়ে গেছে। মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তাটুকুও আজ নেই।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে তো এখন কোনও রাজনীতি নেই, রাজনীতি তো একটা দলের কাছে চলে গেছে। সেই দলের হাতেই এখন আইনের শাসন ব্যবস্থা, পুলিশ বাহিনী নিয়ন্ত্রণ হয়।’

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকরাও এখন সত্য প্রকাশ করতে পারে না। মানুষের বাকস্বাধীনতা নেই এখন। এজন্যই অন্যায়কারীরা অন্যায় করতে ভয় পায় না এখন। প্রতিদিন অন্যায়, নিপীড়ন, ধর্ষণ, হত্যা বেড়েই চলেছে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘এই যে নুসরাত, সে আজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলো। এই দেশে যে কোনও শাসন ব্যবস্থা নেই, আইনের প্রতি মানুষের যে ভরসা নেই তা নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে দিল নুসরাত।’

এসময় ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে সম্প্রতি বিজিবির গুলিতে গ্রামবাসী নিহতের ঘটনায় মামলা খারিজের তীব্র প্রতিবাদ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বর্তমান অবৈধ সরকার প্রশাসন, আইন সব নিজ দখলে রেখেছে তার প্রমাণ গরিবের বিচার না পাওয়া। এটা একটা বেআইনি দখলদার সরকার বসে আছে।’

মতবিনিময় সভায় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সহ-সভাপতি আবু তাহের দুলাল, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মামুন-উর-রশিদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সোহাগসহ দলটির বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।