ফেসবুক Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

wq4y-1.jpg

গোটাদেশ কঠোর বিধিনিষেধের আওতায়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে জনগণকে অযথা ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন। বন্ধ রয়েছে সব ধরনের গণপরিবহণ।

এ সুযোগে পাবনার ভাঙ্গুরায় ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে ঢাকায় লোক পরিবহনের প্রচারণা চালাচ্ছেন বেশ কিছু মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার মালিক ও চালকরা।

উপজেলাকেন্দ্রিক বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে আব্দুল মালেক নামে একজন তার গাড়ির ছবিসহ লিখেছেন- ‘আগামীকাল থেকে নিয়মিতভাবে ভাঙ্গুরা হইতে ঢাকা হাইস ও নোহা গাড়ি চলাচল করবে। যদি কেউ ভাঙ্গুরা থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে ভাঙ্গুরা আসতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন (মালেক) ভাঙ্গুরা বাসস্ট্যান্ড ভাঙ্গুরা পাবনা।’

পোস্টে থাকা নম্বরে ফোন করলে আব্দুল মালেক জানান, ঢাকায় জনপ্রতি ভাড়া দেড় হাজার টাকা আর ঢাকা থেকে ফিরতে জনপ্রতি ভাড়া ১ হাজার ২শ টাকা।  সাধারণত প্রতি হাইয়েস গাড়িতে ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী পরিবহন করা হয়।

লকডাউনে বিধিনিষেধে চলাচলে সমস্যা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাত্রীদের এ বিষয় নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। রাস্তার সব সমস্যা ড্রাইভার সামলে নেবে। ঢাকায় চলাচলের জন্য একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছেন বলেও তিনি জানান। এছাড়া প্রাইভেটকারে ১০ হাজার টাকা রিজার্ভে ৩ থেকে ৪ জন যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।

যাত্রী পরিবহনের এ ব্যবস্থার কোনো আইনগত বৈধতা আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ভাঙ্গুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, চলমান বিধিনিষেধে যাত্রী পরিবহনের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি সম্পর্কে ভাঙ্গুরা থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

palak7.jpg

দেশে ফেসবুকের বিকল্প নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, দেশকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ফেসবুকের বিকল্প নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘যোগাযোগ’ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের উদ্যোক্তারা তথ্য, উপাত্ত এবং যোগাযোগের জন্য নিজেদের মধ্যে একটি নিজস্ব অনলাইন মার্কেট প্লেস ও গ্রুপ তৈরি করতে পারবে। উদ্যোক্তাগণকে বিদেশ নির্ভর হতে হবে না।

শনিবার (২৪ জুলাই) উইমেন ই-কমার্স (উই) আয়োজিত ‘এন্টারপ্রেনারশিপ মাস্টারক্লাস সিরিজ ২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইতোমধ্যেই জুমের বিকল্প ‘বৈঠক’ অনলাইন প্লাটফর্ম এবং করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ‘সুরক্ষা’ অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব কমিউনিকেশনের জন্য হোয়াটসঅ্যাপের অল্টারনেটিভ হিসেবে ‘আলাপন’ নামেরও একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে। তিনি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মসহ নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির কার্যক্রমের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

২০১৮ সালে ডিজিটাল ই-কমার্স পলিসি করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের লাখ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি করতে তরুণ ও যুবকদের যেকোনো নতুন নতুন উদ্ভাবনে সরকার নীতিগতসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করছে।

২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি সেক্টরে ২০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য রয়েছে বলে উল্লেখ করেন জুনাইদ আহমেদ পলক। ইতোমধ্যে ১৫ লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-কমার্স, হার্ডওয়ার, সফটওয়্যার, বিপিও সেক্টর মিলে ২০২১ সালের মধ্যে ২০ লক্ষাধিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয় করা সম্ভব হবে।

উইমেন ই-কমার্স এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তা হওয়ার প্রথম চ্যালেঞ্জ ঝুঁকি নেয়ার সাহস থাকা। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে উদ্ভাবনে নিজেদের নিয়োজিত করতে নারী উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

Facebook-3.jpg

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভেরিফায়েড প্রোফাইল বা পেইজের কথা প্রায়ই শোনা যায়। জনপ্রিয় কোনও ব্যক্তিত্ব বা প্রতিষ্ঠানের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল বা পেইজের দিকে তাকালে লক্ষ্য করবেন পাশে একটা যাচাইকৃত প্রোফাইল বা নীল টিক চিহ্নযুক্ত ব্যাজ দেওয়া রয়েছে। এই যাচাইকৃত প্রোফাইল বা নীল টিক চিহ্নযুক্ত ব্যাজের মর্ম অনেকেই জানেন। অর্থাৎ প্রোফাইল বা পেইজটি ওই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ভেরিফিকেশন পদ্ধতিতে ‘ব্লু-ব্যাজ’ স্বীকৃত।

ফেসবুক সবার জন্য উন্মুক্ত, যে কেউ ইচ্ছা করলেই তার নিজের প্রোফাইল ও পেজ তৈরি করতে পারেন। সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, তারকা হিসেবে সহজেই ফেসবুক প্রোফাইল ভেরিফায়েড করা যায়। এছাড়া নির্ধারিত ক্যাটাগরির ফেসবুক পেইজও ভেরিফায়েড করা সম্ভব। আলোচিত প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তির নামে এমন ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা পেইজ থেকে প্রচারণা চালানো হলে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সেটি ক্ষতির কারণও হতে পারে। তাই নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে প্রোফাইল বা পেইজের সত্যতা নিশ্চিতকরণ ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে ফেসবুক দীর্ঘদিন ধরে এমন সুবিধা দিচ্ছে।

যেভাবে ফেসবুক ভেরিফায়েড করবেন :

* প্রথমে এই ঠিকানায় প্রবেশ করুন।

* এরপর পেজ বা প্রোফাইল নির্বাচন করুন।

* প্রোফাইল হলে নির্ধারিত বক্সে প্রোফাইলে লিংক দিন।

* অফিশিয়াল আইডি কার্ডের (যেমন- জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ফোন বা ইউটিলিটি বিল ইত্যাদি) স্ক্যান কপি আপলোড করুন।

* অফিশিয়াল পেজের লিংক সাবমিট করুন।

* ‘Additional Information’ বক্সে কেন ভেরিফাই করতে চান তা উল্লেখ করুন।

* এবার Send বাটনে ক্লিক করে সাবমিট করুন।

এই ধাপগুলো অনুসরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই যে প্রোফাইল বা পেজে ভেরিফায়েড হয়ে যাবে, এমন নয়। কিন্তু এই তথ্যগুলো দিলে অন্যান্য সাধারণ ব্যবহারকারীও পেজের মালিক বা যিনি পরিচালনা করছেন, সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারবেন।

fACEBOOK7D.jpg

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার রাতে এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ।

ডিজিটাল এই প্লাটফর্মে এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

জাকারবার্গ লিখেছেন, আমরা ফেসবুককে মিলিয়ন মিলিয়ন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সবচেয়ে সেরা প্লাটফর্ম ‍হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য আমরা নতুন একটি প্রোগ্রাম তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এতে এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা হবে। ২০২২ সালে যারা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলে বিবেচিত হবেন তাদেরকে পুরস্কৃত করতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এ ধরনের ঘোষণা ফেসবুকের জন্য নতুন কিছু নয়। এর আগেও এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে এ ধারা অব্যাহত রাখতে চায় ফেসবুক।

এ বিষয়ে বিস্তারিত খুব শিগগিরই জানানো হবে বলে জাকারবার্গ জানিয়েছেন।

facebook-1.jpg

অনলাইনে বেড়েই চলেছে নানা উগ্রবাদী মন্তব্য ও সাইবার বুলিংয়ে ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন উগ্রবাদ বা সাইবার বুলিং বন্ধ এবার নতুন ফিচার আনতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এই ফিচারের আওতায় বন্ধুতালিকার কেউ অনলাইনে উগ্রবাদী মন্তব্য বা কর্মকান্ডে জড়ালে সয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা চলে আসবে। এ ফিচারটি নিয়ে তারা আমেরিকায় সীমিত পরিসরে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালাচ্ছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

ফেসবুক বলছে, আইনজ্ঞ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ফেসবুক ব্যবহার করে উগ্রবাদের প্রসারের ব্যাপারে তাদের বারবার সতর্ক করে আসছে। যা মাধ্যমটি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। এই ফিচারের আওতায় ব্যবহারকারীরা যে কোনো উগ্রবাদী মন্তব্য বা কার্যক্রম দেখলে তা স্ক্রিনশট নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন।

ফেসবুকের বিশেষজ্ঞ দল সেসব ডেটা সংরক্ষণ করে অন্য ব্যবহারকারীদের তার বন্ধুতালিকার উগ্রবাদী ব্যক্তি সম্পর্কে বার্তা পাঠাবে। এই ফিচারটি পুরোপুরি চালু হলে তা পাওয়া যাবে ফেসবুকের ‘গেট সাপোর্ট’ অংশে।

Facebook-3.jpg

ফেসবুকে কে কত জনপ্রিয় সেটা বোঝা যায় তাদের পোস্টের লাইক, রিয়েক্ট ও কমেন্ট দেখে। কিন্তু এখানে থেকে যাচ্ছে কিছু সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি ইস্যু। এ সিকিউরিটি ও প্রাইভেসির ব্যাপারে চিন্তা করে অনেকেই চান না নিজেদের পোস্টের লাইক ও রিয়েক্ট অন্য কেউ বা অপরিচিত কেউ দেখুক। ফেসবুক এ ইউজার প্রাইভেসির কথা মাথায় নিয়ে এসেছে নতুন একটি ফিচার, যার নাম-রিয়েকশন প্রেফারেন্সেস।

ইউজার প্রাইভেসি নিয়ে জেআর টেকনোলজির ডিরেক্টর জেনিফার আলম যুগান্তরকে জানান, ফেসবুকের এ অপশনটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে মেয়েদের জন্য। সাধারণত ইউজারদের খুব কাছের মানুষই তাদের প্রায় পোস্টে লাভ ও বিভিন্ন পোস্ট অনুযায়ী রিয়েকশন দিয়ে থাকে।

সুতরাং সে ক্ষেত্রে কিন্তু কোনো হ্যাকার বা কোনো দুষ্কৃতিকারী যদি তাদের ফলো করে তারা খুব সহজেই বুঝে যাবে, তার ভিকটিমের কাছের লোক কারা, ভিকটিম কাদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মেলামেশা করে। এ ফিচারটির মাধ্যমে ভিকটিম অনেকাংশেই ফিশিং ও আইডি হ্যাক থেকে কিছুটা হলেও নিরাপদ থাকতে পারবে। তাই ফেসবুকের এমন নতুনত্বকে সাধুবাদ জানানো যায় এবং যারা প্রাইভেসি মেইনটেইন করে থাকতে চান, তাদের উৎসাহিত করবে ফেসবুকের এ ফিচারটি ব্যবহার করতে।

যারা এ ফিচারটি ব্যবহার করতে চান তারা মোবাইল থেকে ফেসবুক অ্যাপটি ওপেন করে সরাসরি সেটিংস অপশনে চলে যাবেন, তারপর স্ক্রল করে সেটিংস অপশনের একদম নিচেই দেখতে পাবেন ‘Reaction Preferences’ নামে একটি অপশন আছে; সেখানে ক্লিক করলেই আপনার পোস্টে কে কে লাইক রিয়েক্ট দিয়েছে তা হাইড করতে পারবেন।

আর যারা ফেসবুকের ওয়েবসাইট থেকে যারা করতে চান তারা প্রথমে ‘Settings and Privacy’তে যাবেন এরপর ‘News Feed Preferences’ এ গিয়ে ‘Reaction preferences’ আপনি আপনার পছন্দমতো অপশন সিলেক্ট করতে পারবেন।

এ বিষয়ে আইটি ও সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট রাইয়ান মালিক বলেন, যারা প্রাইভেসির কথা মাথায় রেখে ফেসবুক ইউজ করছে, তাদের জন্য এ সেটিংস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টার্গেটেড আইডি হ্যাক করার জন্য ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টের কিছু সিকিউরিটি সার্ভিস ভাঙতে তাদের প্রয়োজন হয় ভিকটিমের কাছের মানুষের আইডি খুঁজে বের করা।

পাশাপাশি যদি ফিশিং অ্যাটাকের কথা বলি, তাহলে সেখানেও হ্যাকাররা আপনার আইডি বা ফোন হ্যাক করার জন্য আপনার কাছের বা পরিচিত মানুষের আইডি হ্যাক করে বা ক্লোন আপনাকে ম্যালিসিয়াস লিংক পাঠাতে পারে। কারণ অনেক সময় হ্যাকারদের অপরিচিত অ্যাকাউন্ট থেকে পাঠানো লিংকে ভিকটিম ক্লিক করে না। এক্ষেত্রে ভিকটিমের লাইক-রিয়েকশন অফ করা থাকলে ভিকটিমের পরিচিত আইডি খুঁজে বের করা কিছুটা কষ্টসাধ্য। প্রাইভেসি ও সিকিউরিটির কথা চিন্তা করলে বলাই যায়, এ সার্ভিসটি নিয়ে আসা ফেসবুকের খুব ভালো একটি উদ্যোগ।

moon52.jpg

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক-এর নিরাপত্তা বিভাগে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার জারিন ফাইরোজ মুন। চলতি বছরের মার্চে ফেসবুকের সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমে ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দেন তিনি।

জারিন ফাইরোজ মুনের বাড়ি শেরপুর জেলা শহরের গৌরীপুর মহল্লায়। শেরপুরের বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০০৮ সালে এসএসসি এবং ২০১০ সালে শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন তিনি। এরপর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেন মুন।

বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন তিনি। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ভার্চুয়ালি অফিস করতে হচ্ছে তাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিউইয়র্কের অফিসেই বসবেন তিনি। তার ভাই ফাহাদ বিন সাঈদ পিয়াস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক, বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদকসহ নানা পদকে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। শুধু তাই নয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন শেষে সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষকতার সুযোগও পেয়েছেন তিনি। পরে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি’র সুযোগ পেয়ে তিনি সেখানে পিএইচডি করতে যান।

govt-socialo.jpg

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়ন করছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার।

রোববার (৪ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ) অনুসরণ করার জন্য বিধি-৪ শাখার পরিপত্র ২০২০ সালের ৭ মে জারি করা হয়। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সেই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করছেন কি না তা পর্যালোচনা করতে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটি পরিপত্র যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করবে এবং কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্দেশনা অমান্য করলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষত ফেসবুকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত কোনো পোস্ট দেয়া ও লাইক-শেয়ার দিলে আইনানুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রেখে গতবছরের ৭ মে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ নিয়ে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এছাড়াও পরিপত্রে নিজ অ্যাকাউন্টে কেউ ‘ক্ষতিকারক কনটেন্ট’ দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে দায়ী করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াসহ আরো কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়।

এর আগে ২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে নির্দেশনা জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এরপর বিভিন্ন সময় ওই নির্দেশনা পরিমার্জন করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টের ক্ষতিকারক কনটেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং এজন্য প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।

সরকারি কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে পালনীয়:

সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপেলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনো রকম তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে বা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পরিপন্থি কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এরূপ কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিস/পেশাকে হেয়প্রতিপন্ন করে এমন কোনো পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
লিঙ্গ বৈষম্য বা এ সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না।

জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বিষয় লেখা, অডিও বা ভিডিও আপলোপ, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক ও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পরিপত্রে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কনটেন্ট ও ফ্রেন্ড সিলেকশনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহার করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টের ক্ষতিকারক কনটেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং এজন্য প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও পরিপত্রে বলা হয়।

Facebook-3.jpg

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আমাদের বর্তমান জীবনের দৈনন্দিন সঙ্গী। শুধু বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ নয়, ফেসবুক ব্যবহৃত হচ্ছে নানান বাণিজ্যিক প্রচারের কাজেও।

তাই ফেসবুকে কখন পোস্ট দিলে বেশি মানুষ দেখবে, কীভাবে বেশি মানুষ দেখবে তা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই। ফেসবুকের পোস্ট করার জন্য কোনটি আদর্শ সময়, সে বিষয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কিছু না জনালেও কিছু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিপণন ও অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান হুটস্যুট।

তারা ৩০ হাজার পোস্ট বিশ্লেষণ করে বোঝার চেষ্টা করেছে সপ্তাহে বিশেষ কোনো দিন বা বিশেষ কোনো সময়ে ফেসবুকে পোস্ট করলে এনগেজমেন্ট বেশি হয় কি না।

হুটস্যুটের মতে, ফেসবুকে পোস্ট করার আদর্শ সময় হলো মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।

হুটস্যুটের বিশেষজ্ঞ ব্রাইডেন কোহেন জানান, ফেসবুকে বিগত পারফরম্যান্স এবং ফলোয়ারদের কার্যক্রম জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ফলোয়ারদের সিংহভাগ দিনের কোন সময়ে অনলাইনে থাকেন, তা জানতে হবে।

তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, ফেসবুকে পোস্টের এনগেজমেন্ট বাড়াতে বিষয়বস্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তাই ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক যেকোন ধরনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এগিয়ে নিতে চাইলে নিয়মিত ভালো কনটেন্ট পোস্ট করার বিকল্প নেই।

কোহেনের মতে, সকালবেলা মানুষ দিনে প্রথমবার ফেসবুকে ঢুকে নিউজফিড স্ক্রল করতে থাকে। তাই সকালবেলা এমনিতেই আদর্শ সময়।

ফেসবুকে পোস্ট করার জন্য মধ্যাহ্নভোজের বিরতিও বেশ ভালো সময়। কারণ, এসময়েই কর্মজীবী মানুষ দিনের সবচেয়ে বড় বিরতিটা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই সময়টা বেলা দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে হওয়া বেশি ভালো।

আবার সারাদিনে কী কী ঘটল তা জানতেও কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার পরপর অর্থাৎ সন্ধ্যার দিকে মানুষ একবার ফেসবুক খুলে বসেন। অনেকে অবশ্য ঘুমানোর আগে আগে ফেসবুকে দীর্ঘ সময় কাটান।

তাই এসময় গুলোতে পোস্ট করে দেখার পাশাপাশি আপনার ফলোয়ারদের সিংহভাগ কখন অনলাইনে থাকে সেটি আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। আর সে জন্য দিনের নানা সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে পোস্ট করে দেখতে পারেন।

microsoft8.jpg

দেশে ফেসবুকের পর এবার ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইএন) নিয়েছে।

মাইক্রোসফট রিজিওনাল সেলস ডট এলটিডি নাম এবং সিঙ্গাপুরের ঠিকানা ব্যবহার করে কোম্পানিটি নিবন্ধন নিয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট সূত্র। মাইক্রোসফটের ভ্যাট এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করবে পোদ্দার অ্যান্ড এসোসিয়েটস।

এর আগে বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নেয় গুগল, অ্যামাজন, ফেসবুক। এখন থেকে এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন জমা দেবে এবং ভ্যাটের অর্থ পরিশোধ করবে।