ফেসবুক Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

facebook-income-20190615112931.jpg

আপনি যদি অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চান, তা হলে আপনার জন্য রয়েছে সুখবর। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক দিচ্ছে টাকা আয়ের সুযোগ।

জানা গেছে, ফেসবুক এমন একটি নতুন অ্যাপ উন্মুক্ত করেছে যার সাহায্যে ফেসবুক নিজের ইউজারদের টাকা দেবে। টাকার বদলে ইউজারকে নিজের তথ্য শেয়ার করতে হবে। এই নতুন অ্যাপটির নাম study।

ফেসবুক জানিয়েছে, এই নতুন স্টাডি অ্যাপ আগের দুটি অ্যাপ থেকে আলাদা আর অ্যাপটি শুধুমাত্র ডাউনলোড করা যাবে গুগল প্লে স্টোর থেকে।

এই অ্যাপের সাহায্যে ফেসবুক নিজের ইউহজারদের গতিবিধির উপর নজর রাখতে পারবে। এই অ্যাপের সাহায্যে ফেসবুক জানতে পারবে যে, ইউজার আর কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করেছে আর অ্যাপে ইউজার কি কি করেছে। এর সঙ্গে ফেসবুক এটাও জানতে পারবে যে, কোন অ্যাপে ইউজার কত সময় কাটায়।

তবে ফেসবুকের দাবি, ব্যবহারকারীর মেসেজ, পাসওয়ার্ড জানতে পারবে না এই অ্যাপ। এই অ্যাপ কিছু সময় পর পর জানিয়ে দেবে যে আপনার ডাটা সংগৃহিত করা হচ্ছে।

স্টাডি’ অ্যাপটি কেবল প্রাপ্তবয়স্করা ফোনে ইনস্টল করতে পারবেন। কেউ ‘স্টাডি’ অ্যাপ থেকে টাকা আয় করতে চাইলে তাঁর পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

অ্যাপ ইনস্টল করার সময় ব্যবহারকারীর ফোনের পর্দায় ভেসে উঠবে, ঠিক কী ধরনের তথ্য অ্যাপটি সংগ্রহ করবে। এ ছাড়া সংগ্রহ করা তথ্য কী কাজে ব্যবহার করা হবে, সেটিও জানাবে ‘স্টাডি’ অ্যাপ।

তবে এসব তথ্য জানতে ব্যবহারকারীকে কী পরিমাণ অর্থ দেবে কিংবা কী কাজে সংগ্রহ করা তথ্য ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ফেসবুক। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে অ্যাপটি চালু করছে ফেসবুক।

internet-social-media-censorship.jpg

আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকেই ফেসবুক, ইউটিউব বা গুগলের মত সামাজিক মাধ্যমে যে কোন প্রকার দেশের সার্বভৌমত্ব ও সামাজিক মূলবোধের পরিপন্থী কনটেন্ট এর ওপর নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা অর্জন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর ফলে অপ্রীতিকর যে কোনো কনটেন্ট অপসারণে আর বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে ধরণা দিতে হবে না।

আশা করা হচ্ছে, আগামী সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ এই সক্ষমতা অর্জন এবং তা প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। এ ব্যবস্থায় ফেসবুক বা ইউটিউবের কোনো আপত্তিকর মন্তব্য, পোস্ট বা ভিডিও দেশের বাইরে দেখা গেলেও বাংলাদেশে আর কেউ দেখতে পাবে না।

১৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘সাইবার থ্রেট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স’ নামে একটি প্রকল্পে এই সক্ষমতা অর্জনের কাজ চলছে। প্রকল্পটি থেকে ইতিমধ্যে ২২ হাজার পর্ণ এবং আড়াই হাজারের মতো গ্যাবলিং সাইট বন্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে শনাক্ত হওয়া পর্ণ ও গ্যাবলিং সাইটগুলো বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর। সেখানেই স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে দেশের ২৯টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) এবং তিনটি ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জকে (নিক্স)।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর এটি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার বা এনটিএমসিও এটি ব্যবহার করতে পারবে।

জানা যায়, আগে কোনো সাইট বন্ধ করতে আইআইজি অপারেটরদের কাছে সেই সাইটের অ্যাড্রেস পাঠিয়ে তাদের মাধ্যমে বন্ধ করা হতো। কিন্তু এখন কোন কোন সাইট বন্ধ করা হচ্ছে তা আইআইজি অপারেটরদের জানার বাইরে থাকছে। কোনো সাইট বন্ধ করে দিলে বিকল্প উপায়ে তা দেখার সুযোগ নিয়ন্ত্রণেরও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ওয়েবসাইট বন্ধ ও তা বিকল্প পথে চালুর চেষ্টা নিয়ে ‘টম অ্যান্ড জেরি’ গেম চলছে এবং চলবে। তবে এক্ষেত্রে বিকল্প পথ তৈরি করতে এক দিন সময় লাগলে তা বন্ধ করতে সময় লাগবে ১০ মিনিট।’

আলোচিত এ প্রকল্প বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, “গত ১৭ মাসে আমি লক্ষ করেছি, ফেসবুক, গুগল আমাদের সঙ্গে কথা বলতেই রাজি হতো না। পরে আমরা হার্ড লাইনে যাওয়ার পর এখন তারা কথা শুনতে চায়, আলোচনায় বসে। সব শেষ ওয়াদা করেছে, তারা বাংলাদেশের আইনকেও গুরুত্ব দেবে।”

“তবে আমরা যেটা সংকট দেখছি সেটা হচ্ছে, যেহেতু ওরা আমেরিকান কম্পানি, ওরা যে শব্দটি নিয়ে আমাদের বেশি ভোগায় সেটা হচ্ছে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড। ওদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড আর আমাদের কমিউনিটি স্টান্ডার্ড এক না। এ কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে গালাগাল করলে ওদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডে সেটা হয় ফিডম অব স্পিচ। কিন্তু এই ফিডম অব স্পিচের নামে আমাদের এখানে বেশি যেটা হয় সেটা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদের পক্ষে প্রচার ও সন্ত্রাস তৈরি করার ব্যবস্থা করা। ফলে আমরা কোনো বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে রিকোয়েস্ট পাঠালে তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে যায়, এমন ক্ষেত্রেই শুধু সাড়া মেলে।”

“সব মিলিয়ে আমাদের মনে হয়েছে, ওদের ওপর নির্ভর করে আমাদের দেশে নিরাপদ ইন্টারনেট বহাল রাখা কঠিন। সে জন্য আমরা এই প্রকল্পটি গ্রহণ করি। এটি বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে—অন্তত আমরা আমাদের নিজ এলাকায় যেন নিরাপদ থাকতে পারি। প্রকল্পটি এ পর্যন্ত যেটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তাতে আমরা আংশিক সফলতা পেয়েছি। ওয়েবসাইটগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি। আর কমেন্ট, স্ট্যাটাস ও ভিডিও লেভেলে সুনির্দিষ্টভাবে অ্যাড্রেস করার কাজ চলছে।”

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে এ বিষয়ে আমাদের সক্ষমতা তৈরি করা। সেটা হবে। তবে প্রযুক্তিগত বিষয়ে একটা পর্যায়ে আমরা সক্ষমতা অর্জন করার পরও নতুন প্রযুক্তি এসে যেতে পারে। তখন সেই প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণেরও সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।’

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

Hanif-2-1280x804.jpg

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ফেসবুকের কারণে সবচেয়ে বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে। দাম্পত্য জীবনে দেখা দিচ্ছে নানা রকম কলহ।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) চার মহিলা সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৭ সালে ৯০ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ ফেসবুক উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ছেলেমেয়েরা এখন সারাক্ষণ মোবাইল, ফেসবুক নিয়ে পড়ে থাকে। যার কারণে তাদের মধ্যে সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। ছেলেমেয়েরা বিপথে চলে যাচ্ছে।

এ সময় আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অভিভাবকদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। আহ্বান জানান সন্তানদের প্রতি বিশেষ নজর রাখার।

অনুষ্ঠানে মহিলা সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা, নার্গিস রহমান, শবনম শিলা, জিন্নাতুল বাকিয়াকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

ঢাকা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেরা বেগমের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনু্ষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাফিয়া খাতুন প্রমুখ।

facebook-2-5cb3439b96e97.jpg

প্রায় তিন ঘণ্টা পর সচল হয়েছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ।

রোববার বিকেল ৪টার পর থেকে কারিগরি ত্রুটির কারণে এই তিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করতে পারছিলেন না ব্যবহারকারীরা। খবর ভার্জের

সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বাভাবিক হয় অ্যাপ তিনটি।

ফেসবুকের এক মুখমাত্র বলেন, বিশ্বের কিছু জায়গায় ব্যবহারকারীরা অ্যাপ তিনটিতে লগ ইন করতে সমস্যায় পড়েন। আমরা এ ঘটনার জন্য দুঃখিত। ইতোমধ্যে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

এর আগে, গত মাসেও এই অ্যাপ তিনটি কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়েছিল।

facebook-1.jpg

পহেলা বৈশাখের শেষ প্রহরে হঠাৎ সমস্যা দেখা দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। ফেসবুকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপেও সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন অনেকে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টার পর থেকে কারিগরি ত্রুটির কারণে এ তিনটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা লগ ইন করতে পারছেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গলমাধ্যম ডেইলি মিরর বলছে, এশিয়া, ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের এ তিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা তাদের আইডিতে প্রবেশ করতে পারছেন না।

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে ‘ওয়েবসাইটি পাওয়া যাচ্ছে না’ এমন বার্তা দেখাচ্ছে।

তবে কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে ফেসবুকের পক্ষ থেকে এখনও কোনো কিছু জানোনো হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের মার্চ মাসেও ফেসবুকের সার্ভার ডাউন সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েছিলেন এর ব্যবহারকারীরা।

hanif-g.jpg

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বাংলাদেশে ফেসবুক এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেসবুকের কারণে সবচেয়ে বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে। এ ফেসবুকের কারণে দাম্পত্য জীবনেও সমস্যা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ২০১৭ সালে ৯০ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ফেসবুকের কারণে। ছেলেমেয়েরা সার্বক্ষণিক ফেসবুকে থাকছে। অভিভাবকদের এদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখতে হবে তাদের সন্তানরা কী করে কোথায় যায়।

মাদকমুক্ত সমাজ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। রাজধানীর আজিমপুর কমিউনিটি সেন্টারে এ সমাবেশ হয়।

হানিফ বলেন, অভিভাবক সচেতন হলে সন্তানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো হবে যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখছেন। আর অভিভাবকরা সচেতন না হলে সন্তানরা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের মতো হবে যিনি দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

নুসরাত জাহান রাফি হতাকাণ্ড প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘রাফি হত্যায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে হানিফ বলেন, যিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেন, রোড পারমিট দেন সড়ক দুর্ঘটনার জন্য তারাও দায়ী। যে চালককে লাইসেন্স দেয়া হয় তাদের অধিকাংশই অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত। কোনো আইন জানে না, ন্যূনতম জ্ঞান নেই। তাদের লাইসেন্স দেয়ার কারণে এ সমস্যা হয়।

তিনি বলেন, প্রত্যেক দুর্ঘটনার পর যানবাহনের মালিককেও আসামি করে মামলা দিতে হবে। তাহলে মালিকরা আর অদক্ষ চালককে নিয়োগ দেবে না। মাদকের ব্যাপারে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ব্যাপারে অভিভাবকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাাদক এবং মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম, বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাতসহ অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা।

facebook-office-20190326185324.jpg

এমনিতেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নানা রকম চাপে রয়েছে। তার ওপর ১৫ই মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৫০ জন মুসলিমকে হত্যা ও সেই দৃশ্য সরাসরি ফেসবুকে সম্প্রচার করার কারণে সারাবিশ্বে সমালোচনার মুখোমুখি কর্তৃপক্ষ। এরই ভিত্তিতে তারা শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রশংসা, সমর্থন ও প্রতিনিধিত্ব করার সব রকম চেষ্টা নিষিদ্ধ করবে আগামী সপ্তাহ থেকে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

বিশ্বে বিপ্লব ঘটানো এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর সঙ্গে যখনই সম্পর্কিত কোনো ‘ম্যাটেরিয়াল’ তারা সনাক্ত করতে পারবে তখনই তা ব্লক করে দেয়া হবে। এ ছাড়া এমন ম্যাটেরিয়াল সনাক্তের সক্ষমতা বাড়ানোরও প্রত্যয় ঘোষণা করেছে তারা। ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা যেসব বিষয়ে সার্স করবেন তা যদি আপত্তিকর হয় তাহলে তা সরাসরি একটি দাতব্য সংস্থাকে জানিয়ে দেয়া হবে। এই দাতব্য সংস্থা উগ্র ডানপন্থি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

facebook-01-big-20180711144240.jpg

৬০ কোটি ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড ফাঁস করে নতুন বিতর্কে পড়েছে বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। গ্রাহক সুরক্ষার প্রশ্নে ফের কাঠগড়ায় ফেসবুক। ঘটনার কথা স্বীকার করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ফেসবুক। প্রতিটি গ্রাহককে তা জানানো হবে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুকের প্রতিটি পাসওয়ার্ডই এনক্রিপটেড বা সাংকেতিকভাবে থাকার কথা। যাতে তা কোনভাবেই কারও নজরে না আসে। অভিযোগ, সাংকেতিকভাবে না থেকে তা রয়েছে টেক্সট হিসাবে। ফলে তা সহজেই ফেসবুক কর্মীদের হাতের মুঠোয় এসে যাচ্ছে। এর মধ্যে ফেসবুক ছাড়াও রয়েছে ফেসবুক লাইট, ইনস্টাগ্রামের পাসওয়ার্ড।

গত জানুয়ারিতে নিয়মমাফিক সুরক্ষা পর্যালোচনার সময় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ দেখেন, সংস্থার ইন্টারনাল স্টোরেজ সিস্টেমে কোটি কোটি ইউজারের পাসওয়ার্ড সহজেই দেখা যাচ্ছে। সার্ভারে তা সাংকেতিকভাবে জমা থাকার কথা থাকলেও দেখা গিয়েছে, তা রয়েছে সাধারণ টেক্সট হিসাবে। ফলে তা সহজেই পড়া যাচ্ছে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং, সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কানাহটি বলেন, আমাদের লগইন সিস্টেম এমনভাবে ডিজাইন করা যাতে তা প্রতিটি পাসওয়ার্ডকে ঢেকে রাখা যায়। ফলে তা কোনও ভাবেই পড়া যায় না। পেদ্রোর দাবি, সাধারণ টেক্সট হিসাবে পাসওয়ার্ডগুলি দেখা যেতেই নড়েচড়ে বসেন তারা।

যদিও ব্রায়ান ক্রেগ নামে সাইবার সুরক্ষা বিষয়ক এক মার্কিন সাংবাদিক তার বøগে দাবি করেন, অতি সম্প্রতি নয়, ২০১২ থেকে এভাবেই কোটি কোটি পাসওয়ার্ড জমা হচ্ছে ফেসবুকের ইন্টারনাল সার্ভারে। এবং সংস্থার প্রায় কুড়ি হাজার কর্মী তা সহজেই দেখতে পারছেন। ক্রেবসনসিকিউরিটি নামক ওই বøগে ব্রায়ানের আরও দাবি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেসবুকের এক কর্মী তাকে জানিয়েছেন, ফেসবুক কর্মীরা এমন একটা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছেন যা দিয়ে ইন্টারনাল সার্ভারে ওই আনক্রিপটেড পাসওয়ার্ডগুলো সাধারণ টেক্সট হিসাবে জমা করা যায়। এর পরই সুরক্ষার ব্যর্থতা নিয়ে একাধিক অন্তর্তদন্ত শুরু করে ফেসবুক।

facebook-20190319221347.jpg

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলা চালানোর সময় ঘাতক ব্রেন্টন ট্যারান্ট যে ফেসবুক লাইভ করেন তা ২০০ জনও দেখেনি বলে দাবি করছে ফেসবুক। তারা বলছে, হামলার ওই লাইভ ভিডিওটি ফেসবুক থেকে মুছে ফেলার আগে তা চার হাজারবার দেখা হয়েছে। দৈনিক নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ক্রাইস্টচার্চের আল নূর ও লিউনউড মসজিদে গত শুক্রবার নামাজরত মুসল্লিদের ওপর নারকীয় এক হত্যাযজ্ঞ চালান শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের অনুসারী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্ট। ট্যারান্টের সেই নৃশংস হামলায় অর্ধশত মুসল্লি নিহত হন। ঘাতক ট্যারান্ট শুধু নির্বিচারে গুলি করে গণহত্যাই চালাননি তিনি সেই দৃশ্য টানা ১৭ মিনিট ফেসবুকে লাইভ করেন।

ফেসবুক বলছে, মসজিদে হামলার ওই দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার শেষ হওয়ার ১২ মিনিট পরও কোনো ফেসবুক ব্যবহারকারী হামলার ভিডিওটি নিয়ে তাদেরকে রিপোর্ট করেনি। তবে হামলার ভিডিও মুছে ফেলার জন্য অনেক চেষ্টা করেও তা পারেননি বলে স্বীকার করেছে ফেসবুক।

ফেসবুকের গ্লোবাল পলিসি বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মণিকা বিকার্ট হেরাল্ডকে বলেন, ‘হামলার ঘটনাটি যখন লাইভ করা হচ্ছিল তখন তা দেখে ২০০ জনেরও কম মানুষ। তাছাড়া ভিডিওটি লাইভ হওয়ার পর সেটি মুছে ফেলা পর্যন্ত আনুমানিক ৪ হাজার মানুষ তা দেখে।’

ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে ফেসবুকের সদর দফতর থেকে মণিকা বিকার্ট বলেন, ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স পদ্ধতি বন্দুকধারীর ওই হামলার ঘটনাটি লাইভ করার সময় তা চিহ্নিত (সহিংস ঘটনা হিসেবে) করতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রযুক্তি সেটা খুঁজে পায়নি, তাছাড়া যখন লাইভ করা হয় তখন কেউ আমাদের রিপোর্ট করেননি।’

মণিকা বিকার্ট আরও বলেন, আমরা প্রথম বিষয়টি জানতে পারি লাইভ নিউজিল্যান্ডের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে। আর তাদের কাছ থেকে আপত্তি আসার পর আমরা দ্রুত সেটি মুছে ফেলি।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ রোববার টুইটারে দেয়া এক বার্তায় জানায়, তারা মসজিদে হামলার পর গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৫ লাখ ভিডিও সরিয়ে ফেলেছে। তাছাড়া নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার সেই ভিডিও তাদের প্লাটফর্ম থেকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলতে কাজ করে যাচ্ছে ফেসবুক।

ফেসবুক নিউজিল্যান্ডের কর্মকর্তা মিয়া গারলিক বলেছেন, ‘আমরা প্রযুক্তি ও মানুষের সাহায্য নিয়ে ওই ভিডিও সরিয়ে ফেলতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।’ ভিডিও মুছে দেয়া ছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১২ লাখ ভিডিও আপলোডে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

শুধু ফেসবুক নয় ইউটিউব ও টুইটার কর্তৃপক্ষও মসজিদে হামলার ছড়িয়ে পড়া সেই সহিংস ভিডিও ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ান ঘাতক ব্রেন্টন ট্যারান্ট ক্রাইস্টচার্চে নির্বিচারে মানুষকে গুলি করে হত্যার ভিডিও ফেসবুক লাইভের পর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারী স্বয়ংক্রিয় বন্দুক নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে মসজিদের দিকে যাচ্ছেন। মসজিদের প্রবেশ কক্ষ থেকেই মুসল্লিদের ওপর নির্বিচারে বৃষ্টির মতো গুলি করা শুরু করেন। মসজিদের ভেতর ছুটোছুটিরত মুসল্লিদের প্রতি টানা গুলি করতে থাকেন। তারপর মসজিদের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরে ঘুরে গুলি করতে থাকেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে যারা মসজিদের মেঝেতে পড়েছিলেন, তাদের দিকে ফিরে ফিরে গুলি করছিলেন তিনি।

fbmess.jpg

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট ফেসবুক গতকাল বুধবার ইতিহাসের সবচেয় বড় জটিলতায় পড়েছিল। ওই দিন ব্যবহারকারীরা বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ওয়েবসাইটটির অনেক সেবা থেকে বিছিন্ন ছিলেন। এতে ফেসবুকের প্রধান দু’টি সেবা মেসেজিং অ্যাপ এবং ছবি শেয়ার করার মাধ্যম ইন্সটাগ্রাম বেশি বিপর্যয়ে পড়ে। তবে ১৪ ঘন্টারও বেশি সময় পরে আবারও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ফেসবুক।

এরআগে ২০০৮ সালে ফেসবুক এমন বিড়ম্বনায় পড়েছিল । তখন প্রতিমাসে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি – যা বর্তমানে প্রায় ২৩০ কোটি।

ফেসবুতের হঠাৎ এ বিপর্যয়ের কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। ফেসবুক এক বিবৃতিতে বলেছে, ফেসবুকের অ্যাপগুলো ব্যবহারে কিছু গ্রাহক সমস্যার মুখে পড়ছেন বলে আমরা অবগত হয়েছি। এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ফেসবুক।

অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে এর মধ্যে এই ঘটনা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। গুজবের জবাব না দিলেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে যে এই বিপর্যয় ‘ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস’ আক্রমণের কারণে হয়নি। ‘ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস’ একধরণের সাইবার আক্রমণ যেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি লক্ষ্যবস্তুতে (ওয়েবসাইট) একসাথে অত্যাধিক পরিমাণ ট্র্যাফিক বা ব্যবহারকারী প্রবেশ করানো হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, বিপর্যয়টি শুরু হয় বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টা থেকে। ফেসবুকের মূলপাতা লোড হলেও ব্যবহারকারীরা কোনো পোস্ট করতে পারছিলেন না বলে জানান। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা নিউজ ফিড রিফ্রেশ করা বা ছবি পোস্ট করার ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হন। ফেসবুক মেসেঞ্জারের ডেস্কটপ ভার্শন কাজ না করলেও মেসেঞ্জারের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কিছু মেসেজ পাঠানো সম্ভব ছিল। তবে কিছু কন্টেন্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা জটিলতার সম্মুখীন হয়েছে বলা বলা হচ্ছে।

ফেসবুকের আরেকটি মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরাও একই ধরণের সমস্যার মুখে পড়েন বলে জানা যায়। এর ফলে ফেসবুক ওয়ার্কপ্লেস- যেটি ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার করা হয় – সেটির সেবাও বিঘ্নিত হয়েছে। এই বিপর্যয়টি এমন সময় হলো যখন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের আইন-প্রণেতারাই বিবেচনা করছেন যে ফেসবুক সহ অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করা উচিত কি না।

ফেসবুক সাময়িকভাবে ব্যবহার করতে না পারায় পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় সমস্যার মুখে পড়েন ব্যবহারকারীরা। অনেকে সামাজিক মাধ্যমে এনিয়ে নানা ধরণের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করেছেন।

গোলোযোগের কারণে ফেসবুক ব্যবহার করতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করা ব্যক্তিদের ব্যঙ্গ করে একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট না করে কীভাবে খাওয়া-দাওয়া বা প্রিয়জনের সাথে যোগাযোগ করা যায় তা অনেকেই ভুলে গেছেন।

এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমের একটি জনপ্রিয় কৌতুকের মাধ্যমে প্রকাশ করে পোস্ট এবং শেয়ার করেছেন অনেকে। (সূত্র: বিবিসি বাংলা)