বাংলাদেশ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

mgdt.jpg

২০২৪ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষ যেসব দেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে তার মধ্যে বাংলাদেশ থাকবে। ওই সময় বাংলাদেশের অর্থনীতি সেখানে ১শ’ ভাগের দশমিক ৯ ভাগ অবদান রাখবে। একই সময় বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ কানাডার অবদানও একই হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেনসহ (MS Dandan Chen) বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

অর্থমন্ত্রী ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্লুমবার্গের এক বিশ্নেষণে বাংলাদেশের অর্থনীতির এ সম্ভাবনা উঠে এসেছে বলে জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ৬ মে আইএমএফ বৈশ্বিক অর্থনীতির যে প্রক্ষেপণ প্রকাশ করেছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এ বিশ্নেষণ করেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৪ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে চীন। চীনের অবদান থাকবে সবচেয়ে বেশি যা ২৮ শতাংশ। এরপরই রয়েছে ভারত। ওই সময়ে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতের অবদান দাঁড়াবে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্ষমতাধর এই দেশটির অবদান থাকবে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। এরপরই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। তবে আমাদের অগ্রযাত্রার যে গতি পরিলক্ষিত হচ্ছে তাতে আশা করা যায় এর আগেই আমরা সে আশা পূরণ করতে পারবো। আশা করা যায় অচিরেই বাংলাদেশ জি-২০ দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত হবে।

বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতা, আর্থিক খাত সংস্কারের পদক্ষেপ, নারীদের কর্মস্থান ও নারী ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন এবং আগামীতে বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

bd68a.jpg

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পাত্তাই দিল না বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হেসে খেলে হারালে বাংলাদেশের ছেলেরা।

২৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মাশরাফি বাহিনী।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ক্যারিবীয়রা। মাশরাফি-সাইফ-ফিজের বোলিং তোপে ২৬১ রানে থামে উইন্ডিজের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত খেলে টাইগার ওপেনারা। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ১৪৪ রানের ওপেনিং জুটিতে জয়ের পথ মসৃণ হয়ে যায়।

শেষ দিবে সাকিব-মুশফিকের জুটিতে সহজ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ দল। সাকিব আল হাসান ৬১ বলে ৩ চার ও ৬ ছয়ে অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস খেলেন। সঙ্গী হিসেবে মুশফিক ছিলেন ৩২ রানে অপরাজিত।

এর আগে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সতর্ক ভাবে শুরু করেন দুই টাইগার ওপেনার। কিছুটা ধীর গতিতে তামিম ব্যাট চালালেও প্রথম থেকে মারমুখি ছিলেন সৌম্য। ৭৩ রানে সৌম্য সাজ ঘরে ফিরলে মুশফিকের সঙ্গে কিছু সময় জুটি বাধেন তামিম। কিন্তু ২০ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস হয় তার।

গ্যাব্রিয়েলের বলে হোল্ডারের তালু বন্দি হওয়ার আগে ১১৬ বল খেলেন তামিম। ৭ চারে সাজানো ইনিংসটিতে করেন ৮০ রান। এর আগে ৭৩ রানে থামে সৌম্যের ইনিংস।

ইনিংসের ২৬ ওভারে চেইসের শেষ বলে লেগ অনে ওভার বাউন্ডারি হাঁকান সৌম্য। কিন্তু বাউন্ডারি লাইনে গিয়ে ব্রাভোর হাতে ধরা পড়েন তিনি। টাইগারদের ওপেনিং জুটিতে আসে ১৪৪ রান। ৬৮ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৭৩ রান করেন সৌম্য।

এর আগে উইন্ডিজ ওপেনার হোপের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে (১০৯) ২৬১ রানের স্কোর গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এছাড়াও চেইস ৫১, অ্যামব্রিস ৩৮ ও অ্যাশলে নার্স করেন ১৯ রান।

টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি (৩/৪৯), মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (২/৪৭), সাকিব আল হাসান (১/৩৩) ও মেহেদী হাসান মিরাজের (১/৩৮) নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বেশিদূর যেতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২ উইকেট নিতে ৮৪ রান খরচ করা মুস্তাফিজুর রহমান বাদে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সব বোলারের প্রস্তুতিটা হয়েছে দারুণ।

bd-20190426200345.jpg

একই চিত্রনাট্য। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চুরমার করেও গোলের জন্য হাপিত্যেশ। হালিহালি গোলের সুযোগ পেয়েও জয়ের ব্যবধান মাত্র ২-১। বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের দ্বিতীয় ম্যাচ শেষেও আক্ষেপের নাম গোল। তারপরও বাংলাদেশের মেয়েরা জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে। গোল বেশি না হলেও কিরগিজস্তানের বিরুদ্ধে এক তরফা ফুটবল খেলেই মাঠ ছেড়েছেন কৃষ্ণা-সানজিদারা।

৩০ সেকেন্ডেই গোল। ধারণা করা হয়েছিল, কিরগিজস্তানের কপালে কষ্টই আছে। প্রতিপক্ষকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিয়েই মাঠ ছাড়বে বাংলাদেশের মেয়েরা। তা হয়নি। বাকি সময় একটি গোল দিয়ে একটি হজমও করেছে। তাও গোলরক্ষক রূপনা চাকমার ভুলে। কিরগিজস্তানের জাইরিনার দূর থেকে নেয়া শট রূপনার হাতে লেগে চলে যায় জালে।

গ্যালারির দর্শক ঠিকঠাক জায়গা নিয়ে বসার আগেই গোল। কিক অফের পর মাত্র ৩০ সেকেন্ডে গোল করে এই টুর্নামেন্টে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েন সানজিদা। কৃষ্ণার শট কিরগিজস্তানের গোলরক্ষকের হাত থেকে ছুটে গেলে সুযোগ হাতছাড়া করেননি সানজিদা। বল জালে পাঠিয়েই উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে।

প্রথম গোলদাতা সানজিদার অসাধারণ এক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ব্যবধান ২-০ হয় ৬০ মিনিটে। ডান দিক দিয়ে দুইজনকে দুইবার কাটিয়ে যে নিখুঁত ক্রস নেন সানজিদা তা হাতে নিয়েও রাখতে পারেননি কিরগিজ গোলরক্ষক। সামনে দাঁড়ানো কৃষ্ণা হেডে বল পাঠিয়ে দেন জালে।

দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে বাংলাদেশ কোন দল পাবে, তা নির্ধারণ হবে শনিবার তাজিকিস্তান ও লাওসের পর। ম্যাচ শুরু হবে রাত সাড়ে ৮টায়। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার বিকেলে হবে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী অনুষ্ঠানের কারণে ম্যাচটি আড়াই ঘণ্টা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন।

afevc.jpg

আফসানা আক্তার রিতুর বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে। এক বছর আগে তার বিয়ে হয় নিউজিল্যান্ড-প্রবাসী এক বাংলাদেশীর সঙ্গে। নয় মাস আগে তিনি দেশ ছেড়ে নিউজিল্যান্ডে যান।

মসজিদ থেকে তাদের বাসা মাত্র এক মিনিটের পথ। আল নুর মসজিদে যখন হামলা হয়, তখন আফসানা আক্তার রিতু ছিলেন মসজিদের ভেতরেই।

গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আফসানা সেই ভয়াবহ হামলার বিবরণ দিয়েছেন।

বাসার কাছেই যেহেতু মসজিদ, আফসানা তাই প্রতিদিন সেখানে নামাজ পড়তে যেতেন। ঘটনার সময় তারা তিনজন বাংলাদেশী নারী একসঙ্গে ছিলেন।

“আমরা মসজিদের ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ করে একটা শব্দ পাই। আমরা শব্দ শুনে দৌড়াদৌড়ি করে বাইরে আসি।”

“যারা গুলি করছিল, ওরা প্রথম মহিলাদের রুমে আসেনি, ওরা প্রথম গিয়েছিল পুরুষদের রুমে। আমরা তিনজন বাংলাদেশী এক সঙ্গে ছিলাম। তিনজনই একসঙ্গে দৌড় দেই।”

“আমাদের বাসা একদম মসজিদের পাশে। বাসায় আসতে এক মিনিট লাগে। গোলাগুলির শব্দ শুনে আমরা দৌড়ে বাসার দিকে আসি। কিন্তু বাসার চাবি, জুতা এইগুলা মসজিদে রেখে আসছি। জান বাঁচানোর জন্য পালিয়ে আসি।” তারা যে তিনজন একসঙ্গে ছিলেন, তাদের মধ্যে একজনের পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্স এসে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আফসানা জানান, যে ব্যক্তি গুলি করছিল, তাকে দেখেননি তিনি। “আমরা ভয়ে পেছনে তাকাইনি।”

এই ঘটনার পর আফসানা এখন রীতিমত আতংকে আছেন। অথচ নিউজিল্যান্ডে তার গত নয় মাসের অভিজ্ঞতা ছিল একেবারই অন্যরকম।

“বাংলাদেশে থাকতেই আমি জানতাম, নিউজিল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। অনেক নিরাপদ। এ পর্যন্ত কোনদিন কোন সমস্যা হয়নি।”

কিন্তু শুক্রবারের এই ঘটনা তাকে ভীষণ আতংকগ্রস্ত করে তুলেছে।

bd-20190208212030.jpg

সামনে কারা? তার চেয়ে পেছনে কারা সেটা জানার আগ্রহ অনেকের। ফুটবলে বাংলাদেশের পেছনেও থাকতে পারে কেউ? কৌতূহলটা সেখানেই।

বৃহস্পতিবার ফিফা ঘোষিত সর্বশেষ র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত। আগের মতো ১৯২। ফিফার ২১১ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশের পেছনে আছে গোটা বিশেক দল।

তবে এশিয়ায় তেমন নেই। এএফসির সদস্য ৪৬ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৪২তম। একদম শেষের দিকে। পেছনে যারা আছে তাদের দুটি দেশই দক্ষিণ এশিয়ার-পকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। দেশ দুটি আছে ৪৫ ও ৪৬ নম্বরে।

এশিয়ার র‌্যাংকিংয়ে ভারত আছে ১৮ নভেম্বরে। বাংলাদেশের সামনে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলো হচ্ছে ভুটান ৩৯, নেপাল ৩৩, মালদ্বীপ ৩০। কিছুদিন আগে দক্ষিণ এশিয়া থেকে বেরিয়ে মধ্য এশিয়ায় যাওয়া আফগানিস্তানের অবস্থান এশিয়ায় ২৯ নম্বরে।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের পর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে কোনো পরিবর্তনও হয়নি। র‌্যাংকিং বাড়াতে বাফুফে কিছু ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করছে। আগামী মাসে একটি ম্যাচ আছে কম্বোডিয়ার সঙ্গে। ম্যাচটি হবে ৯ মার্চ কম্বোডিয়ার মাটিতে।

bd-pk.jpg

১৯৯৯ সালের ৩১ মে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক ঐতিহাসিক দিন। এদিন যাদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল সেই পাকিস্তানকে হারিয়ে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে বাংলাদেশ।

এটি ছিল বড় কোনো দলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম জয় এবং পাকিস্তান ছিল সেই বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট। বাংলাদেশ সহযোগী সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছিল বিশ্বকাপে তাই বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখনো সে ম্যাচকে ধরা হয় সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে।

কয়েক মাস সেই ঐতিহাসিক দিনের ২০ বছর পূর্তির অপেক্ষা। কিন্তু সে ঐতিহাসিক মুহূর্তে কালি মাখতে চাইছেন পাকিস্তানের সাবেক বোর্ড সভাপতি। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সে হারকে ‘সন্দেহজনক’ বলছেন এই কর্মকর্তা।

ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ধরাশায়ী হওয়াতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সভাপতির পদ খোয়ান খালিদ মেহমুদ। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ধরাশায়ী হওয়াতেই এমন দশা তার। তবে দেড় যুগ পর আলোচনা করতে গিয়ে সে ফাইনাল হয়, বাংলাদেশ ম্যাচটাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তার কাছে। বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অঘটন বলে এখনো আলোচিত সে ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল জিও নিউজের অনুষ্ঠান স্কোরে। সে অনুষ্ঠানেই সেই বিশ্বকাপের স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের গায়ে ‘সন্দেহজনক’ ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছেন মেহমুদ।

মেহমুদের দাবি বিশ্বকাপের আগেই দলের খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন কোচ জাভেদ মিয়াঁদাদ। বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে সাফল্য এনে দেয়া মিয়াঁদাদের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করেছেন মেহমুদ। সাবেক বোর্ড সভাপতির দাবি সে বছর ১২ এপ্রিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে পাকিস্তানের হারে খেলোয়াড়দের ‘সন্দেহজনক’ আচরণ দেখেই নাকি মিয়াঁদাদ পদত্যাগ করেছেন। খালিদ মেহমুদের দাবি, তাঁরও তেমন সন্দেহ জেগেছিল।

মেহমুদের দাবি, ওয়াসিম আকরামের অধীনে বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের হারও অমন ‘সন্দেহজনক’। তার ধারণা পাকিস্তান দলের যে স্কোয়াড তাতে এমন হার প্রশ্ন তুলবেই। এই অঘটন তাকে চিন্তিত ও রাগান্বিত করেছিল। এত এত তারকা থাকার পরও পাকিস্তানের অমন হারের সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত ছিল বলেই মনে করেন মেহমুদ।

ipl192.jpg

এবার বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৪টি ম্যাচ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দেশের তিন ভেন্যুতে আইপিএল ২০১৯ মৌসুমের ১৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, চলতি বছরের এপ্রিল-মে’তে অনুষ্ঠেয় ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য সহিংসতার বিষয়টি মাথায় রেখে আইপিএলের ১৪টি ম্যাচ বাংলাদেশে আয়োজনের প্রস্তাব দেয় ভারত ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি তাতে অসম্মতি জানায়নি।

প্রসঙ্গত, ভারতের বাইরে প্রথমবারের মতো আইপিএল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালে। ওই বছর ৫টি ধাপে ভারতের ১৫তম লোকসভা নির্বাচন (১৬ এপ্রিল-১৩মে) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর মাত্র ১ মাস আগে ৩ মার্চ পাকিস্তানে সফররত শ্রীলঙ্কার টিম বাসে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। ফলে ভারত প্যালামিলিটারি বাহিনী (Indian Paramilitary Forces) আইপিএলের নিরাপত্তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে বিষয়টি আমলে নিয়ে ভারত ক্রিকেট বোর্ড দেশের বাইরে আইপিএল আয়োজন করে।

দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হয়েছিল ২০১৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এবারও সেই নির্বাচনী (১৬তম লোকসভা নির্ভাচন) সহিংসতার শঙ্কা।

শীঘ্রই এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে বলে সূত্রর ভাষ্য।

narim.jpg

সৌদি আরবে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের একমাত্র নারী মুনাজ্জিম হিসেবে হজ কাফেলা পরিচালনা করে আসছেন আয়েশা চৌধুরী।
বাংলাদেশের একমাত্র এ নারী মোনাজ্জিম ওমরাহ্ হজ যাত্রী নিয়ে বর্তমানে সৌদি আরবের মদিনা মনোয়ারায় অবস্থান করছেন।

নারী মুনাজ্জিম হিসেবে হজ কাফেলা পরিচালনা করায় দেশ-বিদেশে সবারই কাছে পরিচিত এই আয়েশা চৌধুরী। ২০০৫ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত তিনি সৌদিআরবের মক্কা ও মদিনায় ওমরাহ এবং হজ পালন করতে যাওয়া আল্লাহর মেহমানদের সুনামের সাথে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আয়েশা চৌধুরী জানান, ২০১৬ সালে ‘হজ উইথ আয়েশা’ নামে এজেন্সির লাইসেন্স বের করে আল্লাহর নামে কাজ শুরু করি। সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ মন্ত্রণালয় ও হাব নেতৃবৃন্দের কাছে। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার সদর থানার চিনাইর গ্রামের এস বি চৌধুরীর মেয়ে আয়েশা চৌধুরী । তিন ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করা আয়েশা চৌধুরী আরো বলেন, ব্যবসার পাশাপাশি সৌদি আরবে ওমরাহ ও হজ পালন করতে যাওয়া । আল্লাহর ঘরের মেহমান হিসেবে হাজিদের সেবাটাই আমার কাছে সর্বোচ্চ বড় বলে মনে করি। আমি আগামীতেও যেন আল্লাহর মেহমানদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে পারি সে জন্য সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

eccv.jpg

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে সাত ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিক থেকে এখন ১২১তম অবস্থানে বাংলাদেশ। গেল বছরে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১২৮ তম। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে হংকং। আর সবার নিচে রয়েছে উত্তর কোরিয়া।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৭তম। এ সূচকে বাংলাদেশের পেছনে ভারত ও পাকিস্তান।

হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের সূচকে বিশ্বের ১৬৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২১তম। মোট স্কোর ৫৫ দশমিক ৬।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতার সূচকে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৮তম। স্কোর ছিল ৫৫ দশমিক ১। এ বছর বাংলাদেশ সাত ধাপ এগিয়ে গেল। আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশের সার্বিক স্কোর এগিয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। ভারতের অবস্থান ১২৯তম, এর দুইধাপ নিচে ১৩১তম অবস্থান আছে পাকিস্তান। এ ছাড়া নেপাল ১৩৬ তম ও শ্রীলঙ্কার ১১৫তম।

এ বছরের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহতভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের বেশি থেকেছে বাংলাদেশে।

প্রতিবেদনে দেশগুলোকে অবদমিত, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অমুক্ত, মাঝারি রকমের মুক্ত, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মুক্ত এবং মুক্ত—এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। পুরোপুরি মুক্ত দেশ মাত্র ছয়টি। এর মধ্যে দুটিই এশিয়ার হংকং ও সিঙ্গাপুর। অন্য চারটি হলো নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও আয়ারল্যান্ড। মুক্ত দেশগুলোর স্কোর ৮০ থেকে ১০০–এর মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো ধনী দেশগুলো আছে ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মুক্ত’ দেশের তালিকায়।

বাংলাদেশ আছে ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অমুক্ত’ দেশের তালিকায়। এ তালিকায় থাকা ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান যথাক্রমে ১২৯ ও ১৩১। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভুটানের অবস্থান সবচেয়ে ভালো। দেশটি আছে ৭৪তম অবস্থানে। আর শ্রীলঙ্কা আছে ১১৫তম অবস্থানে। ভুটান আছে ‘মাঝারি রকমের মুক্ত’ ভাগে। এ ভাগে দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ অবশ্য নেই।

প্রতিবেদনে আইনের শাসন, সরকারের আকার, নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা ও মুক্ত বাজার—এই চার বিশেষ ধরনের দেশগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে আবার তিনটি করে উপবিভাগ আছে। মোট ১২টি উপবিভাগের মধ্যে আর্থিক হাল, ব্যবসার স্বাধীনতা ও বিনিয়োগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান আগের চেয়ে কমে গেছে। বাকি নয়টির মধ্যে সাতটিতেই এগিয়েছে বাংলাদেশ। দুটিতে আগের মতোই অবস্থা।

illish.jpg

ইলিশ আহরণে রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উত্পাদিত হয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার টন। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ২১ হাজার টন বেশি। মত্স্য অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ ইলিশ উত্পাদনে বিশ্বে প্রথম। দেশে ইলিশ উত্পাদনের এই রেকর্ড বিশ্বে প্রথম স্থানকে আরো সুসংহত করল। সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১০ বছরে দেশে ইলিশ উত্পাদন বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। গত ২০০৭-০৮ অর্থবছরে দেশে ইলিশের উত্পাদন ছিল মাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার টন। এবার তা ৫ লাখ টন ছাড়িয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সুরক্ষিত হওয়ায় এবং জাটকা ধরা থেকে জেলেদের বিরত রাখার কারণে ইলিশের উত্পাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মা ইলিশ ও জাটকা ধরা নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের খাদ্য সহায়তা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করায় মাঠপর্যায়ে এর সুফল পাওয়া গেছে। এর ফলে ইলিশ উত্পাদন ৫ লাখ ১৭ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশে মোট মত্স্য উত্পাদনের ১২ শতাংশ ইলিশ। এছাড়া বর্তমানে দেশের জিডিপিতে প্রায় ১ শতাংশ অবদান রাখছে এই জাতীয় মাছটি।

বিএফআরআই-এর তথ্য মতে, ইলিশ মাছ সারা বছরই কমবেশি ডিম ছাড়ে। তবে প্রধান প্রজনন মৌসুম হচ্ছে আশ্বিন (অক্টোবর) মাস। প্রাথমিক গবেষণার ভিত্তিতে ইতিপূর্বে আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে ও পরের ১০ থেকে ১৫ দিন মা ইলিশ আহরণ বন্ধ রাখা হলেও ২০১৬ সালে তা ২২ দিন করা হয়েছে- যা ইলিশ উত্পাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। বিএফআরআই-এর গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২২ দিন মা ইলিশ সুরক্ষিত হওয়ায় ডিম দেওয়া ইলিশের হার ছিল ৪৬.৪৭ শতাংশ – যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে হয়েছে ৪৭.৭৪ শতাংশ। এতে করে ২০১৭-১৮ আর্থিক সালে ৩৬ হাজার কোটি জাটকা ইলিশ পরিবারের সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বলে গবেষকরা জানিয়েছেন। ওই সময়ে ইলিশ মাছ ডিম দিয়েছে ৭ লাখ ২৮ হাজার কেজি। অথচ ২০০৮-০৯ সালে যখন ১১ দিন মা ইলিশ আহরণ বন্ধ ছিল তখন ডিম দেওয়া ইলিশের হার ছিল মাত্র ১৭.৬২ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরই হচ্ছে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। অক্টোবর অর্থাত্ আশ্বিন মাসের প্রথম পূর্ণিমার ভরা চাঁদে ইলিশ প্রধানত ডিম ছাড়ে। এজন্য চলতি বছরে আশ্বিনের বড় পূণির্মার দিনসহ পূর্বের ১৭ দিন এবং পরের ৪ দিন (১৭+১+৪) ইলিশ আহরণ, বিতরণ, বিপণন, পরিবহন, মজুদ ও বিনিময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর সুফলও মিলেছে ইলিশের মোট উত্পাদনে। দেশে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা ইলিশের উত্পাদন বৃদ্ধির পিছনে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে বলে গবেষকরা মনে করছেন। বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যের ভিত্তিতে গত বছরে বরিশাল সদর, হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ৮২ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে অধিক পরিমাণে জাটকা সুরক্ষিত হওয়ায় চলতি অর্থবছরে ইলিশের উত্পাদন আরো বাড়বে বলে গবেষকরা মনে করছেন।

উল্লেখ্য, পৃথিবীর মোট ১১টি দেশে বর্তমানে ইলিশ পাওয়া যায়। দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, কুয়েত, বাহরাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড। বিশ্বে আহরিত ইলিশের প্রায় ৭০ শতাংশ বাংলাদেশ আহরণ করে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মিয়ানমার (২০-২৫ শতাংশ) এবং ৩য় অবস্থানে ভারত (১০-১৫ শতাংশ)। ইলিশ উত্পাদনকারী অন্যান্য দেশও বর্তমানে বাংলাদেশকে ইলিশ উত্পাদনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করছে। ২০১৬ সালে ইলিশ বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ইলিশের স্বত্ব এখন শুধুই বাংলাদেশের।

উল্লেখ্য যে, মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য অধিদফতর।

ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ,, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ আদেশ অমান্য করলে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখেছে মৎস্য অধিদফতর।

মূলত এ মৌসুমে ডিমওয়ালা মা ইলিশ সাগর থেকে স্রোতযুক্ত মিঠাপানিতে এসে ডিম ছাড়ে বলে জানান মৎস্য গবেষকরা।

তবে মাছ বেশি ধরা পড়লেও বরফ-সংকটের কারণে তা সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। যার প্রভাব পড়েছে মাছের বাজারে। সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক