বাণিজ্যমন্ত্রী Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

tipu_munshi_desh_rupantor.jpg

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে আকাশ ও সমুদ্র পথে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছে। আকাশ পথে আমদানি করা হচ্ছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন আর সমুদ্র পথে ১২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী, সমুদ্র পথে ১২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এছাড়া দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে উঠেছে। পেঁয়াজের মূল্যও দ্রুত গতিতে কমছে।

তিনি বলেন, মিসর থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ সৌদি এয়ারলাইনসের একটি বিমানযোগে ঢাকার পথে রয়েছে। পেঁয়াজবাহী প্রথম বিমান এসভি ৩৮০২ মিসরের কায়রো থেকে জেদ্দা হয়ে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বুধবার গভীর রাতে পৌঁছাবে।

টিপু মুনশি বলেন, এরপর প্রতিদিন প্যাসেনজার ও কার্গো ফ্ল্যাইটে পেঁয়াজ অব্যাহতভাবে ঢাকায় আসবে। এ সকল পেঁয়াজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে। টিসিবির ট্রাক সেল এবং নিয়োজিত ডিলারের মাধ্যমে সারাদেশে এ পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধির জন্য সরকার শুরু থেকেই আমদানিকারকদের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আমদানির প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে এবং মিয়ানমার পেঁয়াজের মূল্য কয়েকগুণ বৃদ্ধি করলে বিকল্প হিসেবে মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র পথে পেঁয়াজ আসতে সময় বেশি লাগার কারণে এখন তা আকাশ পথে আমদানি করা হচ্ছে। দেশে দৈনিক প্রায় ছয় হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের প্রয়োজন হয়। দেশের মজুত এবং আমদানিকৃত পেয়াঁজ মিলে তা পর্যাপ্ত হবে। এরই মধ্যে দেশীয় পেঁয়াজ পর্যাপ্ত বাজারে আসবে। সামনে কোনো সমস্যা হবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমদানি নির্ভর না থেকে চাহিদার পুরো পেঁয়াজই দেশে উৎপাদনের বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য কৃষকদের ভর্তুকি ও উৎসাহ প্রদান করা হবে। এছাড়া, পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে পেঁয়াজ সারাবছর সংরক্ষণ করা যায়।

তিনি বলেন, মৌসুমের সময় পেঁয়াজ আমদানির কারণে যাতে দেশের কোনো কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে সময় পেঁয়াজ আমদানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। কৃষকরা যাতে পেঁয়াজের উপযুক্ত মূল্য পান, তা নিশ্চিত করা হবে।

vegee.jpg

আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন রমজান নিয়ে প্রস্তুতি বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি এ কথা জানান।

টিপু মুনশি বলেন, চাহিদার তুলনায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য অনেক বেশি মজুদ রয়েছে, তাই আসন্ন রমজান মাসে পণ্যের দাম বাড়বে না। পণ্য আনা-নেয়ার রাস্তায় যেনো কোনো ধরনের চাঁদাবাজি না হয় সে জন্য সংশ্লিষ্টদের শিগগিরই চিঠি দেয়া হবে।

তিনি বলেন, বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল, ছোলা, পেঁয়াজ ও খেজুর টিসিবির মাধ্যমে খুব শিগগিরই বিক্রি করা শুরু করে দেবো।

এসময় চাল ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা বাণিজ্যমন্ত্রীকে বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশে চাহিদার অতিরিক্ত চাল উদ্বৃত্ত রয়েছে। রফতানি করা না গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এই মুহূর্তে চাল রফতানির অনুমতি প্রয়োজন।

তাদের এমন প্রস্তাবের বিষয়ে টিপু মুনশি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তাদের দাবিগুলো শুনেছি। এগুলো পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে দেখবো। কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানবো, আসলেই চাল উদ্বৃত্ত রয়েছে কিনা। তারা যে তথ্য দিয়েছে তা সঠিক কিনা। তারপরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো।

tipu-munshi-b-20190411195641.jpg

দেশের ব্যাংকগুলো ডাকাতি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকায় আব্দুল গণি রোডে বিদ্যুৎ ভবনে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত ‘ভোক্তা অধিকার শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

টিপু মুনশি বলেন, যে টাকা তারা (ব্যাংক) সুদ দেয় জনগণকে এবং যে টাকা তারা সুদ নেয় এই ডিফারেন্সটা পৃথিবীর কোথাও ২ শতাংশ বা ৩ শতাংশের বেশি না। বাংলাদেশেই একমাত্র যেখানে ৫ শতাংশের ওপরে এই ডিফারেন্স। এটা রীতিমতো ডাকাতি। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও ব্যাংকগুলো তা মানছে না।

তিনি বলেন, মানুষের ডিপোজিটের এগেইনেস্টে কত টাকা তারা পে করছে, আর কত টাকা তারা নিচ্ছে, এটা একটা সিস্টেমে আনার দরকার। এই ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বার বার নির্দেশনা দিচ্ছেন, সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা হোক।

পণ্য কেনার আগে মানুষকে সচেতন করার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমি যা কিনছি, সেই বিষয়ে আমার জানতে হবে, আমি যা কিনছি সেই পণ্যের দাম কত এবং তা মেনটেইন করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসার দিকে যেমন লক্ষ্য রাখতে হবে, তেমনি ভোক্তাদের অধিকারও সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যবসার পরিবারেশ ভালো না থাকলে ভোক্তাদের কেনার সামর্থ্য থাকবে না। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল থাকতে হবে। আমার যদি একটি টাকাও না থাকে, তাহলে আমি কীভাবে কিনব? তাই আমাদের মানুষের আয় বাড়াতে হবে, যাতে তাদের কেনার সামর্থ্য বাড়ে।

সেমিনারে খাদ্যপণ্যে ভেজালের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, বাজারে একটি বেগুনও পাওয়া যাবে না যে তাতে ফরমালিন বা কীটনাশক দেওয়া হয়নি। এই সমস্যা দূর করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কিছু কিছু ব্যবসায়ী আছে, তারা এমন কাজ করছে, যা মানুষকে হত্যা করার মতো। এই জায়গাতে আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভায় আরো বক্তব্য দেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেইন।

tipu-munsi-car.jpg

গাড়িতে নাম্বার প্লেট আছে কিন্তু তাতে নেই নাম্বার, তার জায়গায় লেখা রয়েছে ভিআইপি। আর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী এই সরকারি গাড়িটি বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশির।

সম্প্রতি এমন ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।

বৃহস্পতিবার ভিআইপি লেখা নম্বরবিহীন এই গাড়িতে চড়ে বাণিজ্য মন্ত্রী পার্বতীপুরের বারকোনায় গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি সাঁওতালদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎসব ‘বাহা পরব’ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

সেই পোস্টের নিচে মাহামুদ হাসান নামের একজন মন্তব্য করেন, ‘এই রকম ছোট ছোট অনিয়মগুলোই এক সময় বনানীর এফ আর টাওয়ার নির্মাণে অনিয়ম করার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দেয়।’

মোন্নাফ আলী নামে আর একজন বলেন, ‘ম‌ন্ত্রি ব‌লে কথা ‌ভিআই‌পি হ‌লে আর কিছু লা‌গে না।’ এরকম আরো অনেকেই পোস্টটির নিচে নানান রকম সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।

এ বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ফোনটি রিসিভ হয়নি।

tipu7.jpg

চালের দাম হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য বড় ব্যয়সায়ীদের দায়ী করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, দেশে মাত্র চার-পাঁচজন বড় ব্যয়সায়ী চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন। চালসহ সব ধরনের ব্যয়সায় প্রতিযোগিতা আরও বাড়াতে হবে।

শনিবার (৯ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘টেকসই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

টিপু মুনশি বলেন, আমরা যখন নতুন সরকার গঠন করলাম তার কয়েক দিনের মধ্যেই হঠাৎ চালের বাজার বেড়ে গেল। তখন আমি খাদ্যমন্ত্রীসহ চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করলাম। তারপর আমরা জানতে পারলাম দেশে মাত্র চার-পাঁচজন বড় ব্যবসায়ী চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে তাদের মধ্য একটা যোগসাজশ তৈরি হয়। ব্যবসায়ীদের মধে এ ধরনের যোগসাজশ থাকলেই সাধারণ জনগণ ক্ষতির মুখে পড়ে।

কোনো খাতের ব্যবসায়ীরা যেন যোগসাজশ করতে না পারে সে জন্য প্রতিযোগিতা কমিশনকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়িক খাতে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি না হলে সাধারণ জনগণ উপকার পাবে না। প্রতিযোগিতা না থাকলে ব্যবসায়ীরা যোগসাজশে পণ্যের মূল্য ইচ্ছামতো বাড়িয়ে দিতে পারে। আর প্রতিযোগিতা থাকলে ১০ টাকার পণ্য ৭ টাকায় পেতে পারে জনগণ।

এ জন্য আইন ছাড়াও জনগণের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে প্রতিযোগিতা কমিশনকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

টিপু মুনশি বলেন, কোথাও কোথাও এমনভাবে টেন্ডার করা হয় যেখানে অনেকেই অংশগ্রহণই করতে পারে না, বা অংশগ্রহণ করতে দেয়া হয় না। এভাবে চলতে পারে না। দেশের টেকসই উন্নয়নে সবক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে হবে।

প্রতিযোগিতার সুফল তুরে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন প্রথম মোবাইল ফোন কিনলাম তখন দেশে একটি মাত্র মোবাইল কোম্পানি ছিল। সে জন্য সিটিসেলের একটি ফোনের দাম ছিল ৯০ হাজার টাকা। এখন মোবাইল ফোনের দাম অনেক কমে গেছে। অনেকগুলো কোম্পানির মধ্যে প্রতিযোগিতার জন্য এটা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গত বছরে দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে কমে ২৪ শতাংশ নেমে এসেছে। অতি দারিদ্র্যের হার ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশে মনোপলি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এ সূচকগুলো আরও ভালো অবস্থায় আসবে।

কমিশনের চেয়ারপার্সন মো. ইকবাল খান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দীন) প্রমুখ।

tipumunshi.jpg

‘পণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করতে আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। রমজানে সিন্ডিকেট করে পণ্যের অবৈধ মজুত গড়ে মূল্য বৃদ্ধির সুযোগ দেওয়া হবে না। সঠিক মূল্য ও বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে’ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পবিত্র রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে দেশের মানুষ উন্নত মানের পণ্য প্রকৃত মূল্যে ক্রয় করার সুযোগ পাবে।

শনিবার (০৯ মার্চ) ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিযোগিতা কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল খান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শ্রম ও উন্নয়ন অর্থনীতিবীদ ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।