মোদি Archives - Page 2 of 3 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

ha3h-1280x640.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পর এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনী নিয়ে তৈরি বায়োপিক ছবি ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী ১২ এপ্রিল।

এর আগে জানুয়ারি মাসে ২৭ টি ভাষায় ছবিটির পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার ঘোষিত হলো ছবিটির মুক্তির তারিখ।

ছবিটিতে তুলে ধরা হয়েছে নরেন্দ্র মোদির শৈশব থেকে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার ইতিহাস। এরপর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ২০১৪ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গল্পসহ নানান বিষয়। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ওমং কুমার। আর এটির প্রযোজক সন্দীপ সিং।

এদিকে ছবিটি মুক্তির আগের দিন অর্থাৎ ১১ এপ্রিল থেকে লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে। দেশের রাজনীতিতে ভোটের মধ্যে এই বায়োপিক নিয়ে কেমন তোলপাড় হতে পারে তা জানা যাবে ১২ এপ্রিলের পর।

ছবিটিতে নরেন্দ্র মোদির ভূমিকায় অভিনয় করছেন বিবেক ওবেরয়। আরও অভিনয় করেছেন দর্শন কুমার, বোমান ইরানি, মনোজ যোশী, প্রশান্ত নারায়ণন, জারিন ওয়াহাব ও বরখা বিশত সেনগুপ্ত প্রমুখ।

এদিকে নির্বাচনের আগে মোদির এই বায়োপিক মুক্তিকে নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পপনা।ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতাকর্মীদের মাঝে এই নির্বাচনকে নিয়ে চলছে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রচারণা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

অপরদিকে ভারতের বিরোধী দলগুলার নেতাকর্মীরা সমালোচনা করে বলছেন ভোটে জয়ের জন্যই মোফির এই ফন্দি। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতাই মনে করছেন নির্বাচনকে সামনে রেখে মোদি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাস্তায় হাটছেন।

উল্লেখ্য যে,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন (২৮ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে প্রকাশ পায় ‌‌‘হাসিনা, অ্যা ডটারস টেল’ শিরোনামের একটি সিনেমার ট্রেলার। যেটি তখন সকল মহলে প্রশংসা কুড়ায়। অতঃপর গত বছরের ১৬ নভেম্বর স্বল্পদৈর্ঘের সিনেমাটি মুক্তি পেলে রিতিমত আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

modi-kohli-and-dhoni-20190313164724.jpg

শিরোনাম দেখে ভয় পাওয়ার কারণ নাই যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শচীন টেন্ডুলকার, বিরাট কোহলি কিংবা মহেন্দ্র সিং ধোনিদের নির্বাচনে প্রার্থী হতে বলেছেন। মূলতঃ ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দেশটির নাগরিকদের ভোট দানে উৎসাহ বাড়াতে শচীন টেন্ডুলকার, অধিনায়ক কোহলির কাছে আহ্বান জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদি।

ভারতের লোকসভা নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায়। ১১ এপ্রিল শুরু হবে লোকসভা নির্বাচন। যেখানে ৭ ধানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৯ মে পর্যন্ত। সেখানে যেন ভোটাররা সর্বোচ্চ পরিমাণে উপস্থিত হয় সে বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান জানানোর জন্যই মূলতঃ ক্রিকেটার থেকে শুরু করে ভারতের আইকনিক ক্রীড়া তারকাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন মোদি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক বেশি অ্যাক্টিভ ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখেও সেই সোশ্যাল মিডিয়াকেই হাতিয়ার বানিয়েছেন তিনি। ভারতের নাগরিকরা যেন ভোটদান থেকে বিরত না থাকেন এবং সর্বোচ্চ পরিমাণে ভোটদানে অংশগ্রহণ করে, সে বিষয়ে কাজ করার জন্যই শচীন-কোহলি-ধোনিদের আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয়তার কথা ভেবেই কিংবদন্তী ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার, বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিং ধোনি, অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ এবং বিরেন্দর শেবাগের কাছে আবেদন জানিয়েছেন মোদি।

বর্তমান ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে টুইট করে মোদি লিখেছেন, ‘প্রিয় ধোনি, কোহলি, রোহিত। ক্রিকেট মাঠে তোমাদের অসাধারণ রেকর্ড রয়েছে; কিন্তু এবার তোমাদের লক্ষ্য ১৩০ কোটি জনগণকে ভোটদানে উৎসাহ দেওয়া। যাতে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সবেচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। এমনটা ঘটলে, গণতন্ত্র জিতবে।’

অন্য আরেকটি টুইটে সাবেক ক্রিকেটার শচীন, শেবাগ, লক্ষ্মণ ও কুম্বলের প্রতি মোদীর আবেদন, ‘ক্রিকেট পিচে তোমাদের লড়াইয়ে অতীতে লক্ষ লক্ষ দেশবাসী উৎসাহিত হয়েছে। আবার সময় এসেছে দেশবাসীকে উৎসাহ দেওয়ার। তবে এবার রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের ক্ষেত্রে।’

দেশের তিন কিংবদন্তি সম্পর্কে টুইটে মোদি লিখেছেন, ‘যখন লতা মুঙ্গেশকর, শচীন টেন্ডুলকার এবং এআর রহমান কিছু বলে, দেশেবাসী তা শোনে। আমি এসব ব্যক্তিত্বদের অনুরোধ করব, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে দেশবাসীকে ভোটদানে উৎসাহ দিতে।’

hasina-modi6.jpg

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)কে ১১০০ বাস ও ট্রাক সরবরাহসহ বাংলাদেশে ৪টি প্রকল্প যৌথভাবে উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, দুই প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১০ মিনিটে নিজ নিজ রাজধানী থেকে প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করবেন। বিআরটিসি চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ মিয়া জানান, তারা ভারত থেকে প্রাপ্ত ঋণে কেনা ৬শ’ বাস ও ৫শ’ ট্রাক বিআরটিসিকে সরবরাহ উদ্বোধন করবেন।

বাসগুলোর মধ্যে ৩শ’টি ডবল ডেকার, ১শ’টি নন এসি, ১শ’টি সিটি এসি ও ১শ’টি ইন্টারসিটি এসি বাস। ট্রাকগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩৫০টি ১৬ দশমিক ২ মেট্রিক টন বহন ক্ষমতা সম্পন্ন ও ১৫০টি ১০ দশমিক ২ মেট্রিক টন বহন ক্ষমতা সম্পন্ন ট্রাক।

এ ব্যাপারে বিআরটিসি চেয়ারম্যান বলেন, এ পর্যন্ত ৪৭টি বিআরটিসি বাস ও ২৫টি ট্রাক বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি বাস ও ট্রাক চলতি বছরের জুনের মধ্যে এসে পৌঁছবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, দুই প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকারের অনুদান অর্থায়নের আওতায় জামালপুর, শেরপুর, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন করবেন।

এছাড়া যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন সেগুলো হলো ভারত সরকারের অনুদান সহায়তার আওতায় পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া পৌরসভায় ১১টি পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্ট এবং সার্ক দেশগুলোতে ন্যাশনাল নলেজ নেটওয়ার্ক (এনকেএন) সম্প্রসারণের আওতায় বাংলাদেশে এনকেএন সম্প্রসারণ।

jtq.jpg

পাকিস্তানের জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তৈরি হওয়া জটিল পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বহুজন সমাজ পার্টির প্রধান মায়াবতী রোববার (৩ মার্চ) তার দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন।

লখনৌতে সাংবাদিকদের মায়াবতী জানান, বিগত কয়েকদিন জম্মু ও কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলা নিয়ে সারাদেশের মানুষ বিচলিত। বিজেপি ও বিশেষত মোদি সরকার সাধারণ মানুষের থেকে আসল তথ্য গোপন করে নিজেদের দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের মানুষের কাছে আর কোনও কিছুই অজানা নেই।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে এসপি-বিএসপি জোটের খুব সাবধানে নিজেদের আগামী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

ভারত-পাকিস্তান জটিলতার মধ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১৫ হাজার অঞ্চলের প্রায় এক কোটি বিজেপি কর্মীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগাযোগ করেন। যাকে ব্যঙ্গ করে মায়াবতী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আবেগের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলেছেন।

টুইট করে মায়াবতী দাবি করেন, যুদ্ধের মতো আপৎকালীন এমন একটা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর যখন উচিত দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তখন তিনি সে সব ছেড়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে মিলে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থের চেষ্টা করে জাতীয় সেন্টিমেন্টের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলেছেন।

জানা গেছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে মায়াবতী ৪৫ দিনের বিরতির পর লখনৌতে প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে উপস্থিত হয়েছেন। তার দলের ওই কর্মীরা ইতিমধ্যে ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। যদিও বিএসপি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেনি।

উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মায়াবতী-অখিলেশ জোট থেকে উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে ও উত্তরাখন্ডে মোট ১১০টি আসনে প্রার্থীরা ভোটে দাঁড়াবে। উত্তরপ্রদেশে ৮০ টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮ টি আসনে বিএসপি ও ৩৭ টি আসনে এসপি নিজেদের প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছে মায়াবতী-অখিলেশের দল।

imran-khan-norendo-modi-04-big-20190302152544.jpg

নরেন্দ্র মোদি রাজনীতিতে একটি সুন্দর ডেলিভারি দিয়েছিলেন, পিচে বল ফলার পর বলের টার্ন দেখে কিছুটা ঘাবড়ে গিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। শেষ পর্যন্ত মাথা ঠাণ্ডা করে একটু ব্যাকফুটে গিয়ে সপাটে চালালেন ব্যাট। লেগ সাইডের ওপর দিয়ে সীমানা পার হয়ে, ছক্কা!

হ্যাঁ, বর্তমান মোদির অবস্থা এখন এমনই। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেটের একসময় ছিলেন দাপুটে অলরাউন্ডার। তাই মোদির ‘গুগলি’তে তাই তিনি ভয় পাননি, ব্যাট ঘুরিয়েছেন সজোরে।

পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালিয়ে ইমরানকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছিলেন মোদি। কিন্তু দক্ষ হাতে পরিস্থিতি সামলেছেন ইমরান। অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দিয়েছিল, তারাই এখন ইমরানের নীতিকে সমর্থন করছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় দেশটির আধা সামরিক সিআরপিএফের গাড়িবহরে আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জনের বেশি সেনা নিহত হন। পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ‘জইশ-ই-মুহাম্মদ’ এ হামলার দায় স্বীকার করে। এ ঘটনার ১২ দিন পর গত মঙ্গলবার ভোরে পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বালাকোটে বিমান হামলা চালায় ভারত। পরদিন দুই দেশের সেনাদের মধ্যে কাশ্মীর সীমান্তে গোলা ও গুলিবিনিময় হয়। এরই মধ্যে চলে আসে ভারতীয় উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের পাকিস্তানের হাতে বন্দী হওয়ার খবর।

ঠিক এই মুহূর্তটার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বৃহস্পতিবার দেশের পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনে জানিয়ে দেন, আমাদের হাতে একজন ভারতীয় পাইলট বন্দী রয়েছেন। আমরা যে শান্তি চাই, সেই নিদর্শন হিসেবে গতকাল শুক্রবার আমরা তাকে মুক্তি দেব। অর্থাৎ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক এই সংকটের মুখে পাকিস্তান অন্তত মুখে জানিয়ে দিল যে তার অবস্থান শান্তির পক্ষেই। সংকটের সমাধানে তারা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। এখন ভারত যদি তা না মানে, তবে স্বভাবতই দায় চাপবে মোদির ঘাড়ে।

প্রতিশ্রুতি মতো শুক্রবারই মুক্তি পেয়েছেন অভিনন্দন। এর ফলে বেকায়দায় পড়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি কি পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ফের হামলা চালাবেন? নাকি শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলোচনায় বসবেন? এদিকে ঘনিয়ে আসছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচন দিন। আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈতরণি পার হতে জাতীয়তাবাদের ধুয়া তোলা ছাড়া মোদির হাতে আর কোনো ট্রাম্পকার্ড নেই। আর কে না জানে, পাকিস্তানকে জড়িয়ে রাখতে পারলে সেই কাজ কতটা সহজ হয়!

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। আর প্রতিপক্ষ হিসেবে যখন ভারত থাকে। ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ আছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া উরি হামলাতেও পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠনের জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। এর শোধ নিতেই পরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল মোদির ভারত। এবার মোদির আমলেই গত কয়েক দশকের মধ্যে নজিরবিহীন বিমান হামলা চালায় ভারত। একেবারে লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) অতিক্রম করে পাকিস্তানের বালাকোটে কথিত ‘জঙ্গি আস্তানায়’ হামলা চালানো হয়। ভারত বলছে, মারা গেছে তিন শতাধিক জঙ্গি। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি, কিছু গাছ নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কিছুই হয়নি!

ব্রিটিশ ইকোনমিস্টের মাধম্যে জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সব সময়ই নিজেকে একজন সাহসী ও ক্যারিশম্যাটিক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, পাকিস্তানের হুমকির মুখে যিনি কখনোই কুঁকড়ে যান না। এমন ভাবমূর্তির জোরেই ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। ২০১৯ সালে এসে ফের ক্যারিশমা দেখানোর সুযোগ খুঁজছেন মোদি। গত মঙ্গলবার ভোররাতে বিমানবাহিনীর চালানো হামলায় কিছুটা এগিয়েও গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার ইমরানের নতুন ঘোষণায় তা নিষ্প্রভ হতে শুরু করে।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ইশতিহারে মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তার আমলে নতুন নতুন চাকরি সৃষ্টি হবে, ভারত সমৃদ্ধির শীর্ষে উঠবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এর বিপরীত। সম্প্রতি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা ভারতের অপ্রকাশিত কর্মসংস্থান জরিপ প্রকাশের দাবি করেছে।

পত্রিকাটিতে প্রকাশিত জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে ভারতে বেকারত্বের হার ৬ দশমিক ১ শতাংশ। গত ৪৭ বছরের মধ্যে ভারতে এখন সবচেয়ে বেশি মানুষ বেকার। গত ডিসেম্বরে দেশটির বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হারও কমেছে। অসন্তোষ আছে ভারতের কৃষক সমাজের মধ্যে, দলিতরাও নিজেদের অধিকারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। ওদিকে সিবিআইয়ের সাবেক প্রধান অলোক ভার্মাকে জোর করে সরানো, নোট বাতিল নিয়ে ভোগান্তি বা মোদি সরকারের চাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ—মোদির অস্বস্তির তালিকায় কী নেই।

এই অবস্থায় মোদির হাতে ছিল দুটি অস্ত্র—ধর্ম ও জাতীয়তাবাদ। নিন্দুকদের মতে, মোদির আমলেই ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলওয়ামায় হামলার পর দ্বিতীয় বিকল্পটি কাজে লাগানোর সুযোগ পান মোদি। তবে পাকিস্তানের সঙ্গে এই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা অত্যন্ত ভয়ংকর। তাতে একটু হিসাব-নিকাশ ভুল হলেই পা পড়ে যাবে গর্তে। সেই খেলাটি বেশ দক্ষতার সঙ্গেই শুরু করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু শেষটায় একটু ওলট-পালট হয়ে গেল। মোদির কোর্টেই বল পাঠিয়ে দিয়েছেন ইমরান খান। জঙ্গি কর্মকাণ্ডে পাকিস্তানের মদদ দেওয়ার অভিযোগকে পাশ কাটিয়ে এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে ভারতীয় বৈমানিককে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি।

সিএনএন জানিয়েছে, বর্তমানে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। অন্যদিকে ফের ক্ষমতায় আসা নিয়ে বিপাকে আছেন নরেন্দ্র মোদি। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ফরেন পলিসি অ্যান্ড গ্লোবাল ইকোনমি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের গবেষক মাদিহা আফজাল জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে, ইমরান খানের মাথা তুলনামূলক ঠাণ্ডা। তবে ভারতের প্ররোচিত হওয়ার যথেষ্ট কারণও ছিল।

তিনি বলেন, পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পথে মোদিকে জটিল মারপ্যাঁচের মুখোমুখি হতে হবে। অর্থনীতি দিয়ে পুরো দেশকে এক করা তার জন্য কঠিন। তবে যুদ্ধের আবহ এ ক্ষেত্রে বেশি কাজে দেয়।

এ বিষয় ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ভারতে হিন্দু জাতীয়তাবাদ–নির্ভর রাজনীতির অন্যতম ধারক ও বাহক হলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সেই দলের নেতা হিসেবে নরেন্দ্র মোদির অ্যাজেন্ডাও একই। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান স্বাভাবিকভাবেই ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলবে। কিন্তু তার জন্য লড়াইয়ে এগিয়ে থাকাটা প্রয়োজন। এখন তাতেই ঘাটতি আছে নরেন্দ্র মোদির।

এরই মধ্যে বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেসসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো। ঝাঁজালো জবাব দিয়ে মোদি বলেছেন, বিরোধীরা পাকিস্তানকে সাহায্য করছে, ক্ষতি করছে ভারতের। এই ঝাঁজ কত দিন ধরে রাখতে পারবেন মোদি, তাই এখন দেখার।

modi6.png

পুলওয়ামায় জঙ্গিহানার পর প্রতিশোধের আগুনে ফুঁসছিল গোটা দেশ। ১২ দিনের মাথায় জইশের বিরুদ্ধে বদলা নিল ভারতীয় বায়ুসেনা। গুঁড়িয়ে দিল পাকিস্তানের মদতপুষ্ট ওই জঙ্গি সংগঠনের কন্ট্রোল রুম।

মঙ্গলবার ভোরে আরও একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর সাতসকালেই বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির ওই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল-সহ ভারত সরকারের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক।

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গে ওই বৈঠক চলছে। এর আগে পুলওয়ামায় জঙ্গিহানার পরদিনও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এই কমিটি বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের থেকে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত দেশের তকমা কেড়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন, জবাব দেওয়ার জন্য ভারতীয় সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।

সরকারি একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, গোটা নিয়ে আলোচনা চলছে। কীভাবে হামলা হল তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর পর কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

modi_sharee_home.jpg

ভারতের বাজারে আগেই চমক দেখিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখের অবয়বের বিয়ের কার্ড ও টি-শার্ট। এবার তালিকাটা দীর্ঘ হলো শাড়ির মাধ্যমে।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য গুজরাট। যেটি মোদিরও জন্মস্থান। নিজেও ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। এই রাজ্যেই তার মুখাবয়বের শাড়ি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

রাজ্যের সুরাটে দেখা যাবে, নারীদের শাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখের ছাপ। মূলত আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে মোদির মুখের বিভিন্ন ধরনের শাড়ি বাজারে এসেছে। এই শাড়ি কিনতে মানুষও ভিড় করছেন।

ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, সুরাটে ফুলের ছাপের পাশে মোদির মুখ আঁকা কিংবা শুধু মোদির মুখাবয়ব রয়েছে এমন শাড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিটি শাড়ি কখনও কখনও কয়েক হাজার রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় কাপড় ব্যবসায়ী রনক শাহ জানান, শুধু প্রধানমন্ত্রী মোদি নন, অন্য নেতাদের মুখের ছাপে তৈরি শাড়িও বাজারে আসছে। তবে, এখন পর্যন্ত মোদির মুখের শাড়িই বেশি বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা জানান, মোদির মুখাবয়বের ছাপের বেশ কয়েক ধরনের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে সুরাটে। এগুলোর মানও ভাল।

এমনই এক ক্রেতা বলেন, ‘দোকানগুলোতে রাখা প্রধানমন্ত্রী মোদির ছবিযুক্ত শাড়ি দেখে আমার পছন্দ হয়। পরে কিনে নেই। এই শাড়ি পরতে পারাটা গর্বের মনে করছি।’

এর আগে গত বছর দিওয়ালিতে মোদির মুখের ছাপে স্বর্ণালঙ্কার ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তারও আগে তাকে বিয়ের কার্ডে দেখা গিয়েছিল।

modi.jpg

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ১ লাখের বেশি টুইটার ফলোয়ার কমেছে। সেই সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীসহ অনেক রাজনৈতিক নেতার ফলোয়ার কমেছে।

রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগে টুইটারে রাজনৈতিক নেতাদের প্রোফাইলে এক স্বাধীন গবেষণায় নরেন্দ্র মোদিসহ অনেকে নভেম্বরে হাজার হাজার ফলোয়ার হারিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পর থেকে মোদির এমন ফলোয়ার কমতে থাকে বলে জানা গেছে।

যখন মোদি এক লাখ ফলোয়ার হারিয়েছেন, তখন গান্ধীর কমেছে ৯ হাজার।

গত বছরের জুলাইয়ে বিশ্বব্যাপী টুইটারেও একই রকম কার্যক্রমে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ফলোয়ার সংখ্যা ৩ লাখ কমে গেছে, ওই সময়ে রাহুল গান্ধীর ১৭ হাজার ফলোয়ার কমেছিল।

এছাড়াও টুইটারের প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডোরসসহ বেশ কয়েকজনের ফলোয়ার কমে যায়।

wfwxq7wd.jpg

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চেয়ে পর্নস্টার নাতাশা মালকোভাই বেশি জনপ্রিয় বলে দাবি করেছেন , বলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক ফারহান আক্তার। ভারতীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তার এই মন্তব্য।

মন্তব্যের সমর্থনে প্রমাণও দিয়েছেন তিনি। গুগল ট্রেন্ডের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, পর্নস্টার নাতাশা মালকোভাকে খোঁজ করার প্রবণতা ২০১৮ সালে বেড়ে সূচকের পয়েন্ট ১০০ ছুঁয়েছে।

একই সূচকে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তার পারদ কমে নেমে এসেছে ২৫ পয়েন্টে। নাতাশা মালকোভা মার্কিন জনপ্রিয় পর্নস্টার। সাধারণত হার্ডকোর পর্নোগ্রাফিতে বেশি দেখা যায় তাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্ম নেন তিনি।

১৯৯১ সালে জন্ম নেয়া নাতাশা মালকোভা আরেক জনপ্রিয় মার্কিন পর্নস্টার মিয়া মালকোভার স্কুলবান্ধবী। ২০১২ সালে মিয়ার হাত ধরে পর্ন জগতে প্রবেশ করেন নাতাশা। বর্তমানে তিনি মডেলিংও করছেন।

modi-20190115084605.jpg

বুধবার রাজ্য সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওড়িষ্যার বলাঙ্গীরে এক সভায় যোগ দেবেন তিনি। সে জন্য হেলিপ্যাড তৈরি করতে গিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে এক হাজার গাছ। এমনই অভিযোগ উঠেছে বলাঙ্গীরে। রোববারের ওই ঘটনা নিয়ে এখন দায় ঠেলাঠেলি শুরু হয়েছে স্থানীয় বন দফতর, রেল এবং পূর্ত দফতরের মধ্যে।

ডিএফও সমীর শতপথী বলছেন, অন্তত এক হাজার গাছ কাটা হয়েছে। রেল দফতরকে এ ব্যাপারে নোটিশ দর্শানো হয়েছে। কার অনুমতিতে এবং কেন এই কাজ করা হয়েছে, জানতে চাওয়া হয়েছে। সহকারী বন সংরক্ষক বাবাজিচরণ রাউল বলেছেন, ডিএফওর নির্দেশমতো একটি দল গিয়ে ওখানে দেখবে কতগুলো গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

রেলের জমিতেই ওই গাছগুলো ছিল। কিন্তু তারা এই ঘটনা থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে। পূর্ব উপকূল রেলের মুখপাত্র বলেছেন, পিডব্লিউডি হেলিপ্যাড তৈরি করতে পারে। রেল এ সব কাজ করে না। কারা গাছ কাটল, আমরা জানি না। পরে অবশ্য জানানো হয়েছে, রেল এ ব্যাপারে নিজস্ব তদন্ত চালাবে।

গত বছর নভেম্বরেও গাছ কাটার কারণে ওড়িষ্যার বিজেডি সরকার বিজেপি আর কংগ্রেসের সমালোচনার মুখে পড়েছিল। ঢেঙ্কানলে বিয়ার তৈরির কারখানার জন্য সে বারও প্রচুর গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় নারীরাও এর প্রতিবাদ করেছিলেন।

তবে এবার বিষয়টি থেকে দূরত্ব বজায় রাখছে বিজেপি। দলের বিধায়ক রবি নারায়ণ নায়ক বলেছেন, হেলিপ্যাডের ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। রাজ্যসভার সাংসদ প্রশান্ত নন্দ বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী। তিনি যখন যেখানে যাবেন, রাজ্য সরকারকে তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

ওড়িষ্যা সব সময়ই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে গিয়ে যদি গাছ কাটার দরকার পড়ে, তা হলে রাজ্য সরকার নিশ্চয়ই ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকবে। শাসক দল বিজেডি অবশ্য এই দায় ঠেলাঠেলির মধ্যে পড়তে চায়নি। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধানের দাবি, যারা মোদির সফরে ভয় পাচ্ছে, তারাই বন দফতরের নাম ব্যবহার করে উল্টোপাল্টা প্রচার করছে।