মোবাইল ব্যাংকিং Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

mobile-banking-bd-20190618184418.jpg

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করায় মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠাতে গ্রাহককে কোনো মাশুল দিতে হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক রবিবার এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা জারি করেছে। বিকাশ, রকেট, নগদের মতো সেবাদাতাদের এই নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যক্তি হতে ব্যক্তি (পি-টু-পি) প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা লেনদেন করা যাবে, আগে যা ছিল ৭৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে পি-টু-পিতে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোনো মাশুল আদায় করা যাবে না। তবে প্রতিবার লেনদেনে সর্বোচ্চ সীমা হবে ১০ হাজার টাকা।

বর্তমানে যেসব অপারেটর বিভিন্ন অফার দিয়েছে, তা–ও এর আওতায় পড়বে। তবে চাইলে যে কেউ গ্রাহকদের আরও সুবিধা দিতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এ ছাড়া এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে ও নিয়মিত জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে।

পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের তারিখ সরকার চলাচলে ঘোষিত বিধিনিষেধ আরোপকালীন সময়সীমার মধ্যে হলে বিল পরিশোধের তারিখ নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ার পর পাঁচ কর্মদিবস পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। বিল পরিশোধের সময়সীমা পর্যন্ত বিলম্বে পরিশোধের জন্য কোনো অতিরিক্ত মাশুল ও সুদ আরোপ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী মাসের বিলে, পূর্ববর্তী মাসের বিলের সুদের ওপর কোনো প্রকার নতুন সুদ আরোপ করা যাবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

banking-20200906055543.jpg

শিগগিরই মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এক কোম্পানির গ্রাহকদের অন্য কোম্পানিতে টাকা লেনদেন সুবিধা পাবেন।

আন্তঃলেনদেন সহজ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে আইইবি আয়োজিত আর্থিক লেনদেনে প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে হাতে লেনদেন কমে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে ধাবিত হচ্ছে।

বর্তমান প্রযুক্তির সাথে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হবে। তখন প্রযুক্তির বৈষম্য থাকবে না। তৃতীয় শিল্পবিপ্লব পুঁজিবাদের ওপর ভর করে গড়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যে গতিতে এগুচ্ছে পৃথিবীর কারো ক্ষমতা নেই যে পেছনে ফেলবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধের তথ্যে বলা হয়, ১৯৭৯ সালে ব্রাজিল প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে। ধীরে ধীরে এই ব্যবস্থা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

কেনিয়া ২০০৬ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করলেও বাংলাদেশে শুরু হয় ২০১১ সালে। ডিজিটাল সিস্টেমে ফান্ড ট্রান্সফারও চালু হয় ২০১১ সালে।

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং ৪ কোটি গ্রাহক আছে। ৪৮ শতাংশ গ্রাহক বিকাশ, ২১ শতাংশ রকেট, ২৮ শতাংশ গ্রাহক নগদের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে।

ডিজিটাল আর্থিক সেবা গ্রহণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নতুন নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ গড়ে উঠেছে।

তবে গ্রাহকদের নিরাপদ আর্থিক লেনদেনের নিশ্চয়তা দিতে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের ওপর জোর দেন আলোচকরা।

সেমিনারে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলীরা শাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর ও আইইবি’র সদস্যরা।

mobile-banking-bd-20190618184418.jpg

চারটি ব্যাংকের সঙ্গে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) থেকে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যে লেনদেন হওয়ার কথা ছিল, সেই সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে আন্তঃলেনদেন চালু করার বিষয়ে নিষেধ করে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবের মধ্যে যোগসূত্র ঘটানোর চেষ্টা এখনও সফল হয়নি।

এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কারিগরি কাজ শেষ করা যায়নি।

কিছু জায়গায় এখনও ত্রুটি রয়েছে। যে কারণে মঙ্গলবার থেকেই এই সুবিধা পাওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকেরা তা পাচ্ছেন না।

তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সেবা চালু করা যাবে বলে আশা করছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, টেকনিক্যাল কিছু সমস্যার কারণে আন্তঃব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মধ্যে লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আন্তঃলেনদেন চালুর প্রক্রিয়াটি আরেকবার পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।

এই পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব ও ব্যাংকের হিসাবের মধ্যে লেনদেন শুরু করা সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে জানায়, যেসব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেন পরীক্ষামূলকভাবে সম্পন্ন হয়েছে, এখন কেবল তারাই এই সেবা দিতে পারবে। বাকিদেরকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে অবশ্যই এই সেবা চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয় ওই সার্কুলারে।

ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চারটি মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান এই সেবা চালুর জন্য প্রস্তুত ছিল।

মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান চারটি হলো— ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ইউক্যাশ, ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ই-ওয়ালেট।

এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এক হিসাব থেকে আরেক হিসাবে টাকা পাঠানোর সেবা মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) থেকে চালুর কথা ছিল।

এর বাইরে পূবালী ব্যাংকের হিসাব থেকে এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবার হিসাবধারীদের সঙ্গে লেনদেন করার জন্যও ব্যাংকটি প্রস্তুত ছিল।

mobile-banking-bd-20190618184418.jpg

দেশে মোবাইলে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন থেকে বিকাশ, রকেট, এম ক্যাশ ও ইউক্যাশের মতো মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক লেনদেন করতে পারবে।

শুধু তাই নয়, যেকোনো মোবাইল ব্যাংক থেকে যেকোনো মূল ব্যাংকের সঙ্গেও লেনদেন করা যাবে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।

শুরুতেই এই সেবায় যুক্ত হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের অপারেটর বিকাশ, ইসলামী ব্যাংকের এম ক্যাশ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ইউক্যাশ ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ইসলামিক ওয়ালেট সেবা। আর ব্যাংকগুলোর মধ্যে যুক্ত হচ্ছে পূবালী ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে সফলভাবে পাইলট টেস্টিং সম্পন্নকারী ব্যাংক ও মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইন্টার-অপারেবিলিটি বা পারস্পরিক (লাইভ) লেনদেন সুবিধা চালু করা হবে।

আর যেসব ব্যাংক ও মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এখনো ইন্টার-অপারেবিলিটি সংক্রান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি, তাদের আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পারস্পরিক লেনদেনের সুবিধা চালু করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, এক এমএফএস প্রোভাইডারের হিসাব থেকে অন্য এমএফএস প্রোভাইডারের (পি-টু-পি) হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে প্রাপক এমএফএস প্রোভাইডার প্রেরক এমএফএস প্রোভাইডারকে সাকুল্যে লেনদেন করা অর্থের ০.৮০% ফি প্রদান করবে।

এছাড়া ব্যাংক হিসাব থেকে এমএফএস হিসাবে এবং এমএফএস হিসাব থেকে ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর, উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট এমএফএস প্রোভাইডার সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে সাকুল্যে লেনদেনকৃত অর্থের ০.৪৫% ফি প্রদান করবে।

পারস্পরিক লেনদেনের জন্য অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও এমএফএস গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যমান লেনদেন ফি’র অতিরিক্ত কোনও চার্জ ধার্য করতে পারবে না।

এছাড়া পারস্পরিক ব্যবস্থায় লেনদেনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক/এমএফএস হিসাবের প্রকরণ অনুসারে নির্ধারিত লেনদেন সীমা প্রযোজ্য হবে।

বর্তমানে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে টাকা পাঠানো গেলেও এক এমএফএস থেকে অন্য এমএফএসে টাকা পাঠানো যায় না।

এ কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) মাধ্যমে নতুন সেবাটি চালু করা হয়েছে।

এর ফলে এক এমএফএস থেকে অন্য এমএফএস ও ব্যাংকে অথবা ব্যাংক থেকে যেকোনো এমএফএসে সহজেই টাকা পাঠানো যাবে।

mobile-banking-bd-20190618184418.jpg

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে তাৎক্ষণিকভাবে শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্রই টাকা পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে গ্রাহক। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও। কিন্তু সেবা নিতে গিয়ে প্রতিনিয়ই গ্রাহক কিছু সমস্যায় পড়ে থাকেন।

অনেক সময় আর্থিক লেনদেন করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল নম্বরে টাকা চলে যায়। বেশিরভাগ ভুক্তভোগী কৌশল না জানায় সেই টাকা ফেরত পান না।

এ ধরনের সমস্যায় কী কী করণীয় তার একটি নির্দেশনা দিয়েছে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

তাদের পরামর্শ অনুযায়ী, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে প্রথমেই প্রাপককে ফোন দেবেন না। কারণ ভুলবশত অন্য নম্বরে টাকা চলে গেলে, তা ফেরত দেয়ার মানসিকতা খুব কম লোকই রাখে। তাই তিনি টাকা উঠিয়ে ফেললে ভুক্তভোগীর করার কিছুই থাকবে না।

ভুলবশত কোনো নম্বরে টাকা গেলে প্রথমে কাছের থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সেখানে ট্রানজেকশন নম্বর নিয়ে জিডি করে যত দ্রুত সম্ভব সেই জিডি কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

যোগাযোগের পর কর্মকর্তারা জিডি কপি ও মেসেজ খতিয়ে দেখেন। এরপর ভুলে টাকা চলে গেলে ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট টেম্পোরারি লক করে দেয়া হয়। যাতে তিনি কোনো টাকা তুলতে না পারেন।

পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন বিকাশ কর্মকর্তারা। প্রাপক ফোন ধরে যদি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই টাকা নিজের নয় বলে জানান, তখন অফিস থেকেই ওই টাকা নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে স্থানান্তর করে কোম্পানিগুলো।

আর যদি ওই ব্যক্তি নিজের টাকা বলে দাবি করেন, তবে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাকে প্রমাণসহ অফিসে এসে অ্যাকাউন্ট ঠিক করে নিতে নির্দেশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সেই নির্দেশনা না মেনে পরবর্তী ৬ মাসে ওই ব্যক্তি না আসলে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে।

এর পরবর্তী ৬ মাসেও না এলে অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে অটো ডিজেবল হয়ে যাবে।