শেখ হাসিনা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

kader3321.jpg

আওয়ামী লীগে আভ্যন্তরীন গণতন্ত্র চর্চার পাশাপাশি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন নীতি অনুসরণ করা হয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ব্রিফিংকালে এসব বলেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন সাংগঠনিকভাবে কোন অনিয়ম, দুর্নীতি প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। যে কোন অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া মাত্রই নেওয়া হচ্ছে সাংগঠনিক ব্যবস্থা।

ওবায়দুল কাদের বলেন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা স্বপ্রণোদিত হয়ে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছিলেন, তা এখনও চলমান আছে, ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধ করার কোন সুযোগ আওয়ামী লীগে নেই জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দল কখনো কোন অপরাধীকে রক্ষা করার ঢাল হবে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনার কাছে অপরাধীর পরিচয় অপরাধীই। গুটি কয়েক মানুষের অপরাধের জন্য সরকারের অনন্য অর্জনগুলো ম্লান হতে দেওয়া যায় না জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, অপরাধের দায় ব্যক্তির, দলের নয়।

সম্প্রতি দুটি জেলায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি দেওয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি কেন্দ্র হতে তৃণমূলের জন্য দলীয় প্রধানের একটি বার্তা।

মজবুত এবং গণমুখী সংগঠন আওয়ামী লীগের প্রধান লক্ষ্য, বিভিন্ন ইউনিটে পারস্পরিক সমঝোতা, সমন্বয় এবং সম্প্রীতির অভাব দেখা দিলে সংগঠনের অচলাবস্থা তৈরি হয়।

দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলাকে এখন গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সততা, নিষ্ঠা এবং দলের প্রতি ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা থেকে কেন্দ্রে পুরস্কৃত করা হয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

পুরো দেশে সাংগঠনিক নেতৃত্বের উপর দলীয় সভাপতির দৃষ্টি রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনার কাছে সকলের পারফরম্যান্সের রিপোর্টও রয়েছে।

যারা বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি রয়েছেন, দলীয় দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের কার্যক্রমও গুরুত্বসহকারে মনিটর করা হচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেনে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

তিনি নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ার করে বলেন, মানুষের ভাগ্য বদলের জন্য বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ কারো ব্যক্তিগত ভাগ্যবদল ও স্বার্থসিদ্ধির জন্য নয়।

বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এসময় তিনি বলেন, ম্যারাডোনা ছিলেন কোটি ফুটবল ভক্তের প্রাণ, তার মৃত্যু ফুটবল তথা ক্রীড়া বিশ্বের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি।

kader3321.jpg

আগামী ২৮ নভেম্বর বসছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভা। সেখানে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

প্রতিটি পৌরসভায় দলের একাধিক প্রার্থীর ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদ্রোহীদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে থাকবে দল।

আওয়ামী লীগে বহু মতের মানুষ থাকতে পারে, কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সবাইকে শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

এর আগে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে কঠোরতার ঘোষণা দিয়েও কাজ হয়নি, কোন কোন ক্ষেত্রে পরবর্তীতে তাদের দলে পদ পদবী দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী করা হয় জনপ্রিয়তার নিরিখে, আর দলে পদ দেয়া হয় সাংগঠনিক কাঠামো চিন্তা করে৷

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী নিক্সন চৌধুরীকে সম্প্রতি যুবলীগে পদ দেয়া হয়েছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কোন দিন বিদ্রোহ করবে না এমন প্রতিশ্রুতির পর কাউকে কাউকে পদ দেয়া হচ্ছে।

তবে বিদ্রোহীদের ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ অনেক বড় দল। এখানে একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া কেউই অপিরহার্য নন। দলের মধ্যে কোন কোন্দল সহ্য করা হবে না৷

সম্প্রতি দুটি জেলায় কমিটি পরিবর্তন করা হয়েছে জানিয়ে কাদের বলের, কোন কোন্দল সহ্য করা হবে না। বিবাদপূর্ণ জেলাগুলোতে কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।

momen57y58.jpg

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্যাগের কথা শুনলে মানুষ তাজ্জব হয়ে যায়।

আমাদের সৌভাগ্য, আমরা যাকে নেতা হিসেবে পেয়েছি, তার মতো ত্যাগী নির্বাচিত নেতা বিশ্বে আর দ্বিতীয়জন নেই।

ভোটের অধিকার আদায়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তার ত্যাগের কারণে মানুষ সম্মান করে। আমরা ভাগ্যবান, তার মতো নেতা পেয়েছি।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘মিট দ্যা রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর পাঁচজন খুনি এখনো পালিয়ে আছে। দু’জন খুনির অবস্থান জানি। একজন আমেরিকায় রয়েছে।

আরেকজন কানাডায়। ইতোমধ্যে আমরা কানাডায় আইনজীবী নিয়োগ করেছি। এখনো খুব সুরাহা হয়নি।

আমেরিকায় অবস্থানরত খুনিকে ফেরাতে আশা পেয়েছি। তাদের অ্যাটর্নি জেনারেলকে সব তথ্য পাঠিয়েছি, তারা একটা সিদ্ধান্ত দেবে।

পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি আটজন বাংলাদেশিকে ফেরত আনতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত রয়েছি।

তাদের দেশে আনতে টাকাও পাঠিয়েছি। তারা ওমান থেকে পাকিস্তানে ঢোকে। তিনমাস জেলও দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার।

সেটা শেষ হয়েছে। পাকিস্তানে সরাসরি ফ্লাইট নেই, এখন তারা ওমানে যাবে। তারপর ওমান থেকে ফ্লাইটে দেশে আসবে।

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে কতজন প্রবাসী দেশে ফেরত এসেছেন জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে ১ লাখ ৬০ হাজার প্রবাসী দেশে এসেছেন।

অধিকাংশ এসেছেন সৌদি থেকে। কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার পর সৌদি চাপ দিলো লোক নিয়ে যাও। সৌদি প্রথমে পাঠালো, যারা জেলে ছিল। যারা ক্রিমিনাল এদেরও পাঠালো। তবে সংখ্যা খুব কম।

বিদেশে টাকা পাচারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কানাডায় খবর নিয়েছি, প্রাথমিকভাবে কিছু সত্যতা পেয়েছি।

মনে করছিলাম রাজনীতিবিদদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু দেখা গেলো রাজনীতিবিদ চারজন। সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা বেশি।

এছাড়াও কিছু ব্যবসায়ীও আছে। কিন্তু বিদেশে যদি কেউ বৈধভাবে টাকা নেয়, তাহলে কোনো আপত্তি নেই। তবে অবৈধভাবে পাচার করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল মিটিং হওয়ার কথা রয়েছে।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেখানে আলোচনা হবে। পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমাধান বলে আশাবাদী।

ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, উন্নত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্রচুর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়।

কিন্তু সেই তুলনায় বাংলাদেশে সেটা অনেক কম। ধর্ষণও আমাদের দেশে প্রতি ১০ লাখে ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ।

কিন্তু ওপেন সেক্সের দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকায় সেটা আরো বেশি।

তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ ভারত। তাদের সঙ্গে একটা সলিড রিলেশন।

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হবে। উন্নতি হলে কিছু শত্রুও বাড়বে। সেজন্য আমরা কাজও করছি।

অন্য আর এক প্রশ্নের জবাবে ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতায় আসা ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে আমরা আগেও কাজ করেছি।

জো বাইডেন খুব পরিপক্ব রাজনীতিবিদ। এটা পৃথিবীর জন্য আশীর্বাদ। নতুন সরকারে সঙ্গে কোনো অসুবিধা হবে না।

আমরা জলবায়ু নিয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করবো। প্রবাসীদেরও সুবিধা হবে।

pm-20-226784.jpg

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সরকার একটি প্রাণবন্ত সুনীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘আমরা কেবল আমাদের সমুদ্র অঞ্চল রক্ষা করতে চাই না, সামুদ্রিক সংস্থানগুলো ব্যবহার করছি, যাতে আমরা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারি।

এইক্ষেত্রে আমরা ব্লু ইকোনমি এই ধারণাপত্র আমরা নিয়েছি এবং তার উপর আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ পাঁচটি নতুন জাহাজ কমিশনিং করার সময় এসব কথা বলেন।

পাঁচটি জাহাজের মধ্যে রয়েছে- বানৌজা উমর ফারুক, বানৌজা আবু উবায়দাহ, বানৌজা প্রত্যাশা, বানৌজা দর্শক এবং বানৌজা তল্লাশী।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল চট্টগ্রামের বানৌজা ঈসা খান নৌ জেটিতে জাহাজগুলোর ক্যাপ্টেনদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কমিশনিং ফরমান’ হস্তান্তর করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বাংলাদেশ বিশাল সমুদ্র অঞ্চলে সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সামুদ্রিক আইন গ্রহণ করার আগেই ১৯৭৪ সালে টেরিটরিয়াল ওয়াটারস এবং মেরিটাইম আইন প্রণয়ন করেছিলেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতা হত্যার দীর্ঘ ২১ বছর পরে অন্যান্য সরকারগুলো বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলে সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

‘যারা জাতির জনককে হত্যা করে ক্ষমতায় এসেছিল, তারা এই বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি বা পরবর্তী ২১ বছরের সময়কালে সামুদ্রিক অঞ্চলে দেশের সার্বভৌমত্বের কথা ভাবেনি।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে আমরা এটি নিয়ে কাজ শুরু করি,’ বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, নৌবাহিনীর পাঁচটি আধুনিক যুদ্ধজাহাজের মধ্য দিয়ে নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে দুটি আধুনিক ফ্রিগেট ‘বানৌজা ওমর ফারুক’ ও ‘আবু উবাইদাহ’, একটি করভেট যুদ্ধজাহাজ ‘প্রত্যাশা’ এবং দুটি জরিপ জাহাজ ‘বানৌজা দর্শক’ ও ‘তল্লাশি’।

sm-rezaul.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছেন। এমনটিই বলেছেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। খবর বাসসের।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পর সংবিধানকে কেটে-ছেটে এ দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

বাংলাদেশের রাজনীতিকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল সাম্প্রদায়িকতার বিষ বাষ্প ছড়িয়ে দিয়ে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসে আবার অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে বিনির্মাণ করেছেন।

বাংলাদেশ আজ অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ।

আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গনে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমীতে সনাতন সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, এদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান সকলের অধিকার আবার সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, এদেশে ধর্মের ভিত্তিতে কোন নাগরিক পৃথক করা যাবে না। সাংবিধাধানিকভাবে সকলে সম-অধিকার ভোগ করবে।

সনাতন সমাজকল্যাণ সংঘের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

সনাতন সমাজকল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার মজুমদার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

mamata33x.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা ও উপহারসামগ্রী পাঠিয়েছেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে এ উপহারসামগ্রী পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হয়।

সন্ধ্যায় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান উপহারসামগ্রী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় ‘নবান্ন’তে গিয়ে পৌঁছে দেন বলে জানা গেছে।

বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো উপহারসামগ্রী দুপুর ১২টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে নিয়ে তিনি ওপারে পেট্রাপোল চেকপোস্টে পৌঁছে দেন।

উপহারসামগ্রী দুটি কার্টনে ছিল বলে জানান তিনি।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান হাবিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিফ প্রটোকল অফিসার আতাউর রহমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারসামগ্রী বেনাপোলে পাঠানো হয়।

উপহারসামগ্রী গ্রহণের জন্য পেট্রাপোলে অবস্থান করেন কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রথম সচিবের সহকারী আলম হোসেন।

কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি উপহাইকমিশনের ডেপুটি কমিশনার বিএম জামাল হোসেন (পলিটিক্যাল) স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো উপহারসামগ্রী সন্ধ্যায় কলকাতা পৌঁছানোর পর সেটি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

obaydul_kader_al_deshrupant-1.jpg

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বললেন, আওয়ামী লীগ জনগণকে কখনো শত্রু মনে করে না, এমনকি বিএনপিকেও শত্রু ভাবে না বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মনে করেন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় পণ্যবাহী যানবাহনের চালকদের জন্য বহুমুখী সুবিধা সম্পন্ন বিশ্রামাগার নির্মাণের শুভ সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকার একটি গণতান্ত্রিক সরকার— উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “সরকার গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বিধায় যে কোন দলের গণতন্ত্র চর্চা, রীতিনীতিকে সম্মান করে।”

তিনি বলেন, “সরকার শ্রদ্ধা করে বিরুদ্ধমত আর তাই বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো প্রতিনিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার করে যাচ্ছে, করছে মিথ্যাচার।

অবাধ মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে বলেই বিরোধী দলগুলো সরকারের সমালোচনা করতে পারছে। আর গণমাধ্যম স্বাধীন বলেই তারা প্রচার ও প্রকাশ করতে পারছে।”

কাদের বলেন, “দিবারাত্র সমালোচনা করেও বিএনপি নেতারা দেশে গণতন্ত্র নেই বলে যে অভিযোগ করেন, তা তাদের নিজেদের অভিযোগের অসারতা প্রমাণ করে।”

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “অন্ধ সমালোচনা ও মিথ্যাচারের জন্য তাদের কোন নেতাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে – তা তারাই বলুক?”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “শেখ হাসিনার পরমত সহিষ্ণুতা আছে বলেই বিএনপি নেতারা অবিরাম মিথ্যাচারের ঢোল বাজিয়ে যেতে পারছেন।”

সরকারের মদদে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হচ্ছে— বিএনপি নেতাদের এই অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, “বিএনপির কমিটি গঠনের পর তাদের অফিসে আগুন দিয়েছে কে? নিজেরা মারামারি করে নিজেদের হাত ভাঙছে, মনোনয়ন নিয়ে চালাচ্ছে সন্ত্রাসী কার্যক্রম- এ সব তো তাদের নিজেদের সৃষ্ট।”

সরকার যে কোন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “নিজ দলের কেউ অপরাধ করলে শান্তি প্রদানের সাহস একমাত্র শেখ হাসিনাই রাখেন।”

তিনি বলেন, “সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িক উগ্রতা অনিয়ম দুর্নীতি এবং সামাজিক অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের অবস্থান ইতিমধ্যে জাতির কাছে স্পষ্ট, মদদ তো নয়ই। শেখ হাসিনা অপরাধীদের আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, দলীয় পরিচয়ও তার কাছে ঢাল হতে পারেনি বলে জানান কাদের।”

সেতুমন্ত্রী বলেন, “শেখ হাসিনা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনীতি করেন,মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার নিরলস সংগ্রাম।

বিএনপি নেতারা উপ-নির্বাচনে আগে থেকেই ভরাডুবির আশঙ্কা করছেন, জনগণের কাছে তারা কী বলে ভোট চাইবে? তাদের ঝোলায় ইতিবাচক কিছু নেই, তাই বিএনপি বরাবরের মতো মিথ্যা অভিযোগের তীর ছুড়তে শুরু করছে।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের ক্ষমতার উৎস জনগণ ও জন আস্থা।

আওয়ামী লীগ জনগণকে কখনো শত্রু মনে করে না, এমনকি বিএনপিকেও শত্রু ভাবে না বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মনে করেন।”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, “সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রয়াসে দেশের সড়ক হবে নিরাপদ।

উন্নয়ন বান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার, এ লক্ষ্যে আইনগত কাঠামো শক্তিশালীকরণের অংশ হিসেবে সরকার সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়ন শুরু করছে।”

Mitha-Road.jpg

সৌন্দর্যের লীলাভূমি কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কের ফলে লাখো মানুষ উপকৃত হবে এবং এতে হাওর অঞ্চলের মানুষের দুর্দশা অনেকটা লাঘব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকালে অলওয়েদার সড়কের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি। ঢাকার গণভবন থেকে মিঠামইনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মিলনায়তনে যুক্ত হন তিনি।

দেশের কোনো অঞ্চলের মানুষ অনুন্নত থাকবে না জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো হবে। হাওর এলাকায় কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে চায় সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতির আগ্রহে তৈরি হয়েছে ৩০ কিলোমিটারের ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক। যাতে লাখো মানুষ উপকৃত হবে।

সড়কটির ফলে হাওর অঞ্চলের মানুষের দুর্দশা অনেকটা লাঘব হবে।

উদ্বোধন ঘোষণার পর ভিডিওতে হাওরের বিস্ময় ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার সড়কের ভিডিও চিত্র দেখানো হয়।

এসময় সড়ক দেখতে যেতে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সরকারপ্রধান বলেন, আমার মনটা পড়ে থাকলো।

এ সড়ক দিয়ে গাড়িতে কবে যাবো। রাষ্ট্রপতিও চান আমি যেন সরাসরি যাই। আমি যাবো। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হলে এ সড়ক দেখতে যাবো।

অনুষ্ঠানে মিঠামইন প্রান্তে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত অর্থবছরে ৮৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে হাওরের মাঝ দিয়ে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তা নির্মাণ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

অল ওয়েদার সড়কের মাধ্যমে পর্যটনের অপার সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।

হাওরের এই বিস্ময় উপভোগ করতে প্রায় প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক সমাগম হচ্ছে।

স্থানীয়দের কথায়, দৃষ্টিনন্দন রাস্তাটির সুবাদে জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ হাওরের সৌন্দর্য বেড়েছে।

Hasina-Trump.jpg

রবিবার (৪ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মাধ্যমে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের দ্রুত আরগ্য কামনা করেন।

চিঠিতে বলা হয়, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে।

এর আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ট্রাম্পকে ওয়াশিংটনের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকালে প্রেসিডেন্সিয়াল হেলিকপ্টার মেরিন ওয়ানে করে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হোয়াইট হাউস জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্লান্ত কিন্তু ভালো বোধ করছেন। তার শরীরে কোভিডের মৃদু উপসর্গ রয়েছে।

এজন্য সাবধানতার কারণে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, মিনেসোটা থেকে একটি সভা করে ফেরার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা হোপ হিকস অসুস্থ বোধ করেন।

বৃহস্পতিবার তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার স্ত্রী মেলানিয়া কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

তবে কিছুক্ষণ পর তাদের পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে স্ত্রী মেলানিয়া ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যদের করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।

BCL-ctg.jpg

চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন সারাবিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। মানুষের প্রতি ভালোবাসা মমতায় তিনি সবসময় অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন দেখেছেন। তাই বিশ্বের উন্নয়নশীল এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলো এখন বাংলাদেশকে অনুসরণ করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে বেসরকারি কারা পরিদর্শক আজিজুর রহমান আজিজ ব্যবস্থাপনায় দুস্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে খাবার বিতরণ ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে নগর আওয়ামী লীগ নেতারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু। এতে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ইব্রাহিম, ২৭ নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী সবুজ, ২৭নং ওয়ার্ড সি ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ চান্দু, বাবুল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক পাবেল ইসলাম, সরোয়ারদি এলিন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রোমেল বড়ুয়া রাহুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি মির্জা, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নাজমুল আলম, রবিউল হোসেন সায়মন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেম ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফরহাদ সায়েম, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক, যুবলীগ নেতা টিটু, এহেতাসমুল আলম জিসান, মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য ফয়সাল অভি, আবুল কালাম আজাদ, ইসলামিয়া কলেজে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ইমতিয়াজ, ইসলামিয়া কলেজে ছাত্র সংসদ এর এজিএস নোমান সাইফ, ইসলামিয়া কলেজে ছাত্র সংসদ এর সদস্য শাহিন আলম, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ মুন্না, তানজিম বাবু, আশরাফুল রহমান অভি, মোঃ সিরাজ, নাকিব, নয়ন, জাকরিয়া, ফারহান চিসতি, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মিলু, ক্রীড়া সম্পাদক আল আমিন, ইমন ,শহিদুল ইসলাম রিয়াদ, মেহেদী, অপি, মাহফুজ, আসরাফ জয়, তানভির, আহসান হাবিব, নজরুল ইসলাম, রাহুল, দিপু, আশিক, ফয়সাল, সাইফুল ইসলাম রিদয়, আনোয়ার পলাশ, কায়সার জামিল, ফারহান আসিফ, সিহাব উদ্দিন, ফাহিম উদ্দিন, নয়ন, এনাম, ছোটন, রেজাউল আলম রাজু, আসাদুজ্জামান জিসান, ইব্রাহিম খলিল তুষার, আরবি, বেলাল, রাকিব।