সাপ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

snack-bej.jpg

বেজি আর সাপের দ্বৈরথের কথা সবারই জানা। বেজি আর সাপের ল’ড়াইয়ে সবসময় জিতে যায় বেজি।

বিভিন্ন গল্পেও বেজি থাকে নায়ক হিসেবে আর সাপকে রাখা হয় ভিলেন হিসেবে।

কোবরার মতো বি’ষধ’র সাপও বেজির কাছে প্রাণ হা’রায়। অনেকে সে কারণে বাড়ির পাশে বেজি থাকলে সাপের ভ’য় কম পান।

কারণ, যেখানে বেজি থাকে, সেই এলাকায় বি’ষধ’র গোখরা সাপও থাকার সাহস করে না।

অনেকেই মনে করেন, বেজির শরীরে কোবরার বি’ষ ন’ষ্ট করে দেওয়ার মতো অ্যা’ন্টিব’ডি আছে। তবে এটি সত্য নয়।

আসলে বেজি নিজের বিভিন্ন কৌ’শলে কোবরার কা’ম’ড় থেকে নিজেকে র’ক্ষা করে।

বেজির শরীরের আকার ও তার বিভিন্ন ধরনের টে’কনি’কের কারণে যে কোনো ধরনের সাপ তাদের প’রা’স্ত করতে পারে না।

অন্যদিকে কৌ’শল ব্যবহার করে কোবরার মাথা কা’ম’ড়ে ধ’রে মে’রে ফে’লতে পারে বেজিরা।

বাড়ির আশেপাশে বেজি থাকার সুবিধা হলো, ইঁদুর ও সাপের উৎ’পা’ত থেকে র’ক্ষা পাওয়া যায়। তবে মুরগির বাচ্চা থেকে শুরু করে হাঁসের বাচ্চা এরা খে’য়ে ফেলে।

বছরে দুই থেকে তিনবার বাচ্চা দেয় বেজি। প্রতিবার দুই থেকে পাঁচটি বাচ্চা হয়। মাটির নিচের গ’র্তে এসব বাচ্চার দেখভাল করে মা বেজিরা।

বাচ্চাদের জন্য এবং নিজেদের খাবারের জন্য বেজি সবসময় সাপকে শ’ত্রু হিসেবে দেখে।

এ কারণে, সাপ দেখলেই তা’ড়িয়ে দেওয়া কিংবা মে’রে ফে’লার জন্য উ’ঠেপড়ে লা’গে বেজি।সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

snacky.jpg

সাপ নিয়ে নানা ধরণের গল্প, আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভূত ধারণা, কুসংস্কার বা কিংবদন্তির যেরকম অভাব নেই ভারতীয় উপমহাদেশের দেশগুলোয়, তেমনি সাপ সম্পর্কে মানুষের আগ্রহেরও অভাব নেই এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে।

শুধু এই অঞ্চলই নয়, বিশ্বের যেকোনও অঞ্চলের বন জঙ্গলে পরিপূর্ণ এলাকা, আদিবাসী অধ্যূষিত অঞ্চল, পাহাড়ি জনপদ, নদী বা জলাশয়ের আশেপাশে থাকা জনবসতির মানুষের কাছে খুব পরিচিত প্রাণী সাপ।

সরীসৃপ এই প্রাণীর কামড়ে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় এক লাখ মানুষের মৃত্যু হলেও প্রাণী হিসেবে সাপ কিন্তু আগ্রাসী বা ভীতিকর প্রাণী নয়।

সাপ সাধারণত নিজে থেকে এগিয়ে এসে মানুষকে আক্রমণ করে না। হুমকির মুখে পড়লে, হঠাৎ চমকে গেলে বা কোণঠাসা হয়ে গেলে সাপ আক্রমণ করে থাকে।

সাধারণত গ্রামাঞ্চলে, কৃষি সংশ্লিষ্ট এলাকায়, জঙ্গল বা পাহাড়ি অঞ্চলের জনবসতিতে সাপে কাটার ঘটনা বেশি ঘটে থাকে।

তবে যুগ যুগ ধরে এই অঞ্চলের কৃষিপ্রধান গ্রামীণ সমাজের মানুষের সঙ্গে সাপের পরিচয় থাকলেও এখানকার মানুষের মধ্যে এখনও সাপকে কেন্দ্র করে নানা ভুল ধারণা বা কুসংস্কার কেন রয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে।

সাপ নিয়ে যেসব ভুল ধারণা

সাপ নিয়ে নানারকম ভুল বা অবৈজ্ঞানিক ধারণা আমাদের লোকসমাজে প্রচলিত রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হল:

সাপ দুধ খায়

দুধ হজম করতে যেই উপাদানটি প্রয়োজন হয়, সাপের পাকস্থলিতে সাধারণত সেই উপাদানটিই কখনও তৈরি হয় না।

অর্থাৎ সাপ কখনও দুধ হজমই করতে পারে না। অনেক সাপের ক্ষেত্রেই দুধ বিষের মত কাজ করে। কিছু সাপ দুধ খাওয়ার সাথে সাথে মারাও যায়।

তবে সাপের খেলা দেখায় যারা, তাদের কাছে সাপ দুধ খাচ্ছে, এই দৃশ্য আপনি দেখেও থাকতে পারেন।

সাপকে দীর্ঘদিন পানি না পান করানোর পর যেকোনও ধরণের তরল পদার্থ পান করতে দিলে তারা সেটাই পান করে।

সাপকে দুধ খাওয়ানোর জন্য সাধারণত এই পদ্ধতিই অবলম্বন করে সাপের খেলা দেখানো ব্যক্তিরা।

সঙ্গীকে হত্যা করলে সাপ প্রতিশোধ নেয়

সাপের সাধারণত কোনও ধরণের সামাজিক বা পারিবারিক বন্ধন থাকে না।

এমনকি আলাদাভাবে কোনও হত্যাকারীকে চেনার মত স্মৃতিও থাকে না সাপের।

অর্থাৎ অন্য একটি সাপের মৃত্যুর গুরুত্ব একটি সাপ আলাদা করে বুঝতে পারে না।

আর মানুষ সাপের স্বাভাবিক খাদ্য না হওয়ায় মানুষকে হত্যা করার জন্য সাপ কখনও আলাদাভাবে আক্রমণ করে না।

সাপুড়ের বাঁশি বা বীণের শব্দে সাপ নাচে

সাপের খেলা দেখানো কোনও ব্যক্তির- যারা এই অঞ্চলে সাপুড়ে হিসেবে পরিচিত- হাতে থাকা লম্বা বাঁশি বা বীণের সুরের তালে তালে সাপ দেহ দোলাচ্ছে- এমন দৃশ্য বাংলা বা হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও কেউ কেউ দেখে থাকতে পারেন।

তবে এখানে জেনে রাখা ভালো যে সাপটি কিন্তু বাঁশি বা বীণার সুর শুনে দেহ দোলাচ্ছিল না।

অনেকসময় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে, সাপ তার জন্য হুমকি হতে পারে এমন কোনো বস্তুর নাড়াচাড়া অনুসরণ করে।

তাই সাপুড়ের লম্বা বীণা বা বাঁশি সাপের খুব কাছে নাড়াচাড়া করা হলে সাপ ওই বস্তুটির নাড়াচাড়া অনুসরণ করতে থাকে।

আর দেহের বাইরে সাপের কান না থাকায় তারা খুব একটা ভালোভাবে শুনতে পায় না। কিন্তু মাটিতে হওয়া কম্পন খুব ভালো বুঝতে পারে।

সাপুড়েরাও সাধারণত ওই মূলনীতি অনুসরণ করে সাপের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ক্রমাগত মাটিতে পা দিয়ে কম্পন তৈরি করতে থাকে।

samu.jpg

রাতে ঘুম ভেঙে গেল স্বামীর। আৎকে উঠলেন তিনি। পাশেই রয়েছে দুটো সাপ! চিৎকার দিয়ে উঠে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে বেধড়ক পেটালেন আবছা আলোয়। পরে দেখলেন সাপ নয় স্ত্রীকে পেটাচ্ছিলেন তিনি।

এমন অদ্ভুদ ঘটনা ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ায়। গত বছরের শেষের দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ঘটনা ভাইরাল হয়েছে।

রাতের অন্ধকারে কেনই বা স্ত্রীকে সাপ ভেবে বসলেন স্বামী! এমন প্রশ্নে জানা গেছে, ভুক্তোভোগী স্ত্রী ফ্যাশন সচেতন। নানারকম বিশেষ করে অপ্রচলিত ধারণার পোশাক কিনে পরা শখ ছিল যার।

এমনই স্বভাবের কারণে সাপের চামড়া মত দেখতে পোশাক কিনে আনেন তিনি। পোশাকটি পা পর্যন্ত ঢাকা। সেটা পরে সারা দিন নানা ছবিও তোলেন।

পোশাকটি অনেক পছন্দের ছিল বলে ওই মহিলা সেটা পরেই রাতে শুয়ে পড়েন। সঙ্গে গায়ে চাদর ঢেকে নেন ওই নারী। তবে এক সময় পা দুটো চাদরের বাইরেই বেরিয়ে যায়।

রাতে ঘুম ভেঙে গেলে ডিম আলোয় হুট করে স্ত্রীর পা দুটো দেখে সাপ ভেবে স্ত্রীকে পেটাতে শুরু করেন ওই নারীর স্বামী।

চিৎকার দিয়ে ওঠেন তার স্ত্রী। পরে তিনি ভুল বুঝতে বুঝতে ততক্ষণে তার স্ত্রীর পা রক্তাক্ত হয়ে যায়, ভেঙ্গে যায় এক পা।