সুজন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

gr43.jpg

ঈদুল আজহার আগেই ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত আন্তঃনগর বনলতা এক্সপ্রেস চলাচল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন।

শুক্রবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক মতবিনিমিয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সু-নেতৃত্বে সারাদেশে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা এগিয়ে চলেছে। এর অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ বন্দরসহ দেশের যেসব এলাকায় এখনও রেল চালু হয়নি, সেসব এলাকায় শিগগিরিই রেলপথ চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সেইসঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বিরতিহীন ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আন্তঃনগর ট্রেন বনলতা এক্সপ্রেস আসন্ন ঈদের আগেই চালু হবে।

রেলপথমন্ত্রী বলেন, যে দেশ যত উন্নত, সে দেশের রেলপথও তত উন্নত। তাই দেশের রেলপথ উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর আকাঙ্খা পূরণ করতে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের রেল সম্প্রসারণের কাজ খুব শিগগিরিই শুরু হবে। সেইসঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সমঝোতা হলে সোনামসজিদের বিপরীতে ভারতের মহদীপুর থেকে মালদা পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন সম্ভব হবে। আর এতে সোনামসজিদ বন্দর আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

রেল নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক বাহন উল্লেখ করে ভারতকে উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ওই দেশের সিংহভাগ মানুষ রেলপথে চলাচল করে। কিন্তু বাংলাদেশে সেভাবে রেল ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। আজকে আমরা নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশের দিকে যাচ্ছি। আমাদের খাদ্যের অভাব নেই, বস্ত্রের অভাব নেই। আমরা মানুষকে শতভাগ শিক্ষা দিতে চেষ্টা করছি। সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বিনামূল্যে বই দেওয়া হচ্ছে। কৃষিখাতে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।

নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, রাজাকার আলবদরের দল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খাকে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন এবং সে ধারা অব্যাহত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

sujon-20190430115312.jpg

পাঠকরা আগেই জেনেছেন আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজ ও পরে ইংল্যান্ডে হতে যাওয়া বিশ্বকাপ মিলিয়ে প্রায় আড়াই মাসের দীর্ঘ সফর হওয়ায় জাতীয় দলের ম্যানেজার হওয়ার ব্যাপারে অপারগতা প্রকাশ করেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন।

তবে তখনই এ ব্যাপারে ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান নিশ্চিত করেছিলেন আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ না হলেও, বিশ্বকাপে সুজনই যাবেন টাইগারদের ক্রিকেটারদের ভালোমন্দ দেখভাল করার অভিভাবক হিসেবে।

ঘটলোও ঠিক তাই। আগামী ৫ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য ম্যানেজারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুকে এবং পরে বিশ্বকাপে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করবেন খালেদ মাহমুদ সুজন।

ক্রিকেট বোর্ডে উচ্চ পর্যায়ের অতি নির্ভরশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় শেষ হওয়ার পর ১৭-১৮ মে’তে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন খালেদ মাহমুদ সুজন এবং মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম। দেশে ফিরে আসতে পারেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

ভেতরের খবর আয়ারল্যান্ডে তিন জাতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি শুধুই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি আসর হিসেবে গণ্য হবে না। কারো কারো জন্য এটা অলিখিত ট্রায়ালও। বাড়তি যে ৪ জনকে উড়িয়ে নেয়া হয়েছে- ইয়াসির আলি রাব্বি, নাইম হাসান, তাসকিন আহমেদ ও ফরহাদ রেজা এবং মূল স্কোয়াডে থাকা রুবেল হোসেনসহ ইনজুরি শঙ্কা রয়েছে অন্তত দুইজনের।

কাজেই কে জানে আয়ারল্যান্ডের এ ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফরম্যান্সের ওপর হয়তো কপাল পুড়তে পারে বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ১৫ জনের স্কোয়াডে থাকা কারো, আবার বদলে যেতে পারে ত্রিদেশীয় সিরিজের স্কোয়াডে থাকা বাড়তি ৪ জনের যে কারো ভাগ্য।

sujon3.jpg

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সম্ভাব্য ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, গণমাধ্যমের সামনে কান্নাকাটি একজন ক্রিকেটারের জন্য অসম্মানজনক। যা কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। ফিটনেসের কারণে বিশ্বকাপের দলে জায়গা না পাওয়া তাসকিনের, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে প্রিমিয়ার লিগে সৌম্য’র অফফর্মে থাকা কিছুটা চিন্তার হলেও, বিশ্বকাপে ঠিকই জ্বলে উঠবে তার ব্যাট, বিশ্বাস সুজনের।

সুজন বলেন, মন খারাপ থাকবে, আমি কাছের মানুষের কাছে শেয়ার করবো। কিন্তু, এটা পাবলিকলি আসবে, এটা ঠিক না। আমি ব্যাপারটা কোনো ভাবেই নিতে পারিনি। আমি তাসকিনকে সব সময় অন্যভাবেই দেখি, খুব ছোট থেকেই তাসকিনকে দেখেছি। আমার কাছে জিনিসটা ভালো লাগেনি। কারণ, সে বড় হয়েছে। সে অনূর্ধ্ব-১৯ এ নেই।

তিনি আরও বলেন, একটা খেলোয়াড়ের খারাপ সময় যাবে, ভালো সময় আসবে। ও জানে যে, ওর সিলেকশনটা একটা মাত্র কারণেই সম্ভবত নির্বাচকরা আটকে রেখেছেন, সেটা হলো ওর ফিটনেসের কারণে। আর ওয়ার্ল্ড কাপ কিন্তু এখনি না। অনেক সময় আছে। আর তাসকিন যদি এরমধ্যে ভালো হয় তাহলে পুনরায় চিন্তা করার ব্যাপার তো থাকতেও পারে। কিন্তু যেভাবে মিডিয়াতে এসেছে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসেছে সেটা আমি মনে করি, জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়ের জন্য অসম্মানের। মানসিকভাবে আমাদের শক্ত হতে হবে। আমরা তো বড় দলের বিপক্ষে খেলি, অনেক কঠিন সময় হ্যান্ডল করতে হবে। আপনি যদি হেরেই কান্নাকাটি করেন তাহলে তো হবে না।’