স্বাস্থ্যমন্ত্রী Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

jahed82.jpg

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণায়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, মাস্ক না পড়লে করোনা সংক্রমণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঠেকাতে পারবে না।

তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের জন্যই শেখ হাসিনা ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। এসময় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে মাস্ক পড়ার আহবান জানান মন্ত্রী।

শনিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় একটি ব্রিজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শীত আসাতে আবার করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা সব মন্ত্রণালয়কে বলে দিয়েছি, মাস্ক ছাড়া কোনা সেবা দেওয়া যাবে না।

‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব। যখন পৃথিবীতে করোনা ভ্যাকসিন আসবে, বাংলাদেশ সবার আগে পাবে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্যই শেখ হাসিনা ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে রেখেছেন।

জাহিদ মালেক বলেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই দেশে এখন হারিকেন ও কুপির আলো লাগে না। বিদ্যুতের আলোয় জ্বলছে সমগ্র দেশ।

পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল নির্মাণ দ্রুত এগিয়ে চলছে। যেখানে ইতালি ও অ্যামেরিকায় লাখ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে, সেখানে খুব কম সংখ্যক লোক মারা গেছে দেশে। আর একটা মানুষের মৃত্যু হোক, আমারা তা চাই না।

হরগজ ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন খান জ্যোতির সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য মো. আমজাদ হোসেন লাল মিয়া প্রমুখ।

এসময় সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম, সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান মিঞা, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোনায়েম খান, সাটুরিয়া উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আ খ ম নূরুল হকসহ সাটুরিয়া উপজেলার ৯ জন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতা কর্মীসহ উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবা উন্নত রাষ্ট্রগুলোকেও হার মানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।

শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় হরগজ নয়াপাড়া ব্রিজের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে সারাবিশ্ব আতঙ্কে। যেসব রাষ্ট্রে টাকা-পয়সার অভাব নেই, যন্ত্রপাতির অভাব নেই- তারাও করোনা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। তবে বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবা উন্নত রাষ্ট্রগুলোকেও হার মানিয়েছে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রধান হাতিয়ার মাস্ক ব্যবহার। দেশে করোনা সংক্রমণ দ্বিতীয় তরঙ্গের প্রকোপ লক্ষ্য করা গেছে।

সরকারি পদক্ষেপের সহযোগিতায় সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ওয়াজ মাহফিল, পূজা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিয়ে-শাদী সব অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ, বন্যাদুর্গত এবং ঘূর্ণিঝড়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের দুর্গত মানুষের পাশে দেখিনি।

তারাই আবার সরকারের সমালোচনা করে। সমালোচনা করে কোনো লাভ হবে না।

জনগণ তাদের প্রত্যখ্যান করেছে, সাধারণ মানুষ থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

jahed82.jpg

মাস্ক না পরলে করোনা সংক্রমণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঠেকাতে পারবে না মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভ্যাকসিন আসার আগ পর্যন্ত সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় একটি ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শীত আসাতে আবার করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা সকল মন্ত্রণালয়কে বলে দিয়েছি, মাস্ক ছাড়া কোনা সেবা দেওয়া যাবে না।

নো মাস্ক নো সার্ভিস বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব। যখন পৃথিবীতে করোনা ভ্যাকসিন আসবে, বাংলাদেশ সবার আগে পাবে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্যই শেখ হাসিনা ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে রেখেছেন।

জাহিদ মালেক বলেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই দেশে এখন হারিকেন ও কূপার আলো লাগে না। বিদ্যুৎ এর আলো জ্বলছে সমগ্র দেশ।

পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল নির্মাণ দ্রুত এগিয়ে চলছে। যেখানে ইতালি ও আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে।

সেখানে খুব সংখ্যক লোক মারা গেছে। আর একটা মানুষের মৃত্যু হোক আমরা তা চাই না।

হরগজ ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন খান জ্যোতির সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য মো. আমজাদ হোসেন লাল মিয়া প্রমুখ।

এ সময় সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম, সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান মিঞা, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

jahed-malek8.jpg

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন, ‘দেশে এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। করোনা থেকে বাঁচতে হলে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ও মাস্ক পরিধান করতে হবে।

আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ অনেকেই এখনও স্বাস্থ্যবিধি ঠিকমত মানছেন না। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আমাদের দেশের অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে।

(শুক্রবার) বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া শুভ্র সেন্টারে রবি মৌসুমে পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ১৮ হাজার ৫০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত মাস্কই হচ্ছে করোনা প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

সেই সঙ্গে আমাদের সকলকে নিয়ম মতো হাত ধুতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

মানিকগঞ্জে করোনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। কাজেই করোনা পরীক্ষার জন্য কাউকে আর ঢাকায় যেতে হবে না।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহজাহান আলী বিশ্বাস, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব কুমার সাহা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসরাফিল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকবর আলী খান, গড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সরকার প্রমুখ।

jahed2.jpg

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি বলেছেন, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত চিকিৎসা ফি, টেস্ট ফিসহ অন্যান্য ফি সমূহ সরকারিভাবে নির্ধারণ করে দেয়া হবে।

এক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ক্যাটাগরি ভিত্তিক নির্ধারণ করে দেয়া হবে।

এ জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কিছু দিনের মধ্যেই একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিকসমূহের সেবা বিষয়ে পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সভায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খান ক্লিনিক থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে কেন্দ্রিয়ভাবে করার ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী তাতে একমত পোষণ করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সভায় করোনায় দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকের পূর্ণাঙ্গ সহায়তা প্রত্যাশা করে অনুরোধ জানান।

বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালসমূহের পক্ষ থেকে কোভিড এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারকে সব ধরণের সহায়তা দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খান, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার খান এমপি, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ খান আবুল কালাম আজাদসহ অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

jahedmalek656u8.jpg

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে চিকিৎসকের ১১ হাজার ৩৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে। ৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ২৯০ জন, ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে ২৬০ জন, ৪১তম বিসিএসের মাধ্যমে ১০০ জন, ৪২তম বিসিএসের মাধ্যমে ২ হাজার চিকিৎসকের শূন্যপদ পূরণের কার্যক্রম চলমান আছে।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) সংসদে সরকারি দলের এমপি মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

সংসদে জেলা অনুযায়ী শূন্য পদের পরিসংখ্যান দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার দেয়া তথ্যমতে, দেশের সবকটি জেলাতেই চিকিৎসকের পদ ফাঁকা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি পদ ফাঁকা ঢাকায় ৩ হাজার ১৮৫টি। তবে মন্ত্রী বলেছেন, ‘ওএসডি চিকিৎসকের সংখ্যা বেশি থাকায় ঢাকায় বাড়তি চিকিৎসক দেখানো হয়েছে’।

মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ৩ হাজার ১৮৫টি পদ, ফরিদপুরে ২৭৮, গাজীপুরে ১২৫, গোপালগঞ্জে ২৮৩, কিশোরগঞ্জে ২৩৭, মাদারীপুরে ৪২, মানিকগঞ্জে ২১৪, মুন্সিগঞ্জে ৯১, নারায়ণগঞ্জে ৫৩, নরসিংদী ৫২, রাজবাড়ীতে ৭৪, শরীয়তপুরে ৭৮, টাঙ্গাইলে ৯০, জামালপুরে ১৫৬, ময়মনসিংহে ৩১১, নেত্রকোনায় ১২০, শেরপুরে ৪৭, বান্দরবনে ৪২, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭৫, চাঁদপুরে ৫৬, চট্টগ্রামে ৩৪৬, কুমিল্লায় ২২৬, কক্সবাজারে ১৩৪, ফেনীতে ৪৮, খাগড়াছড়িতে ৩৭, লক্ষ্মীপুরে ৩৪, নোয়াখালীতে ৯৮, রাঙ্গামাটিতে ৬০, বগুড়ায় ২৬৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫০, দিনাজপুরে ৩৩৩, গাইবান্ধায় ৭৬, জয়পুরহাটে ৬১, কুড়িগ্রামে ৯০, লালমনিরহাটে ৬৪, নওগাঁয় ১১৯, নাটোরে ৪৯, নীলফামারীতে ১২৫, পাবনায় ১২৪, পঞ্চগড়ে ৭৬, রাজশাহীতে ২৩৩, রংপুরে ২৬১, সিরাজগঞ্জে ১৬১, ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৩, বাগেরহাটে ১২৪, চুয়াডাঙ্গায় ২১, যশোরে ১২৩, ঝিনাইদহে ৭৭, খুলনায় ৩৯৬, কুষ্টিয়ায় ১০৭, মাগুরায় ৫০, মেহেরপুরে ৪৫, নড়াইলে ৪৯, সাতক্ষীরায় ১৬৫, বরগুনায় ৯৪, বরিশালে ৪৩৮, ভোলায় ৯২, ঝালকাঠিতে ৩৭, পটুয়াখালীতে ১৮৭, পিরোজপুরে ৭৮, হবিগঞ্জে ৫৫, মৌলভীবাজারে ৬৩, সুনামগঞ্জে ১৩১ এবং সিলেটে ৩৩১টি চিকিৎসকের পদ ফাঁকা রয়েছে।

বিএনপির এমপি জি এম সিরাজের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকাসহ সারাদেশে অনুমোদনহীন বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান আছে। প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে অনুমোদনবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

jahed5.jpg

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে শীতে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন না করার অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বিয়ের আয়োজন করলেও তা যেন একেবারেই সীমিত পরিসরে হয় সে পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সোমবার বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০২০’ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর হার কম বলে দাবি করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা না পেয়ে দুই যমজ শিশুর মৃত্যুর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।

নবজাতকদের জন্য হাসপাতালগুলোতে কতটি এনআইসিইউ রয়েছে এমন প্রশ্নেরও উত্তর দেননি জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলেও তা নিয়ে জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলে মনে করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মহামারিতে দেশের সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা দিয়েছে সরকার।

এজন্য প্রতিদিন একজন করোনা রোগীর পেছনে সাধারণ বেডে সাড়ে ১৫ হাজার টাকা ও আইসিইউ বেডে প্রতিদিন ৪৭ হাজার টাকা ব্যয় করছে।

এভাবে একজন কোভিড রোগীর জন্য সরকার গড়ে দেড় লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় করছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। আমাদের দেশে আগামী শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার ব্যাপারে কথা হচ্ছে।

তবে আমরা সরকারিভাবে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

স্বাস্থ্যখাতের পাশাপাশি সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও কোভিড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

কাজেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলেও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। সম্মিলিতভাবেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করা হবে।’

দেশে করোনার ভ্যাকসিন আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাকসিন আনা প্রসঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নেয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

সন্ধানীর সেবাদান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ধানী ৪৩ বছর ধরে দেশের মানুষের জন্য মহৎ কাজ করে যাচ্ছে।

সরকার সন্ধানীর সব মহৎ কাজের সঙ্গেই থাকবে।’ এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিবদের যথাযথ উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশনা দেন।

jahed5.jpg

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার সুবিধা বৃদ্ধি করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালকে পাঁচ হাজার শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে।

জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউটকে ৭০০ শয্যা থেকে খুব শিগগিরই ১২০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নবনির্মিত কার্ডিয়াক ক্যাথল্যাব জোন-২ এর উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এই সংকটকালেও দেশের স্বাস্থ্য খাত করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি অন্যান্য চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রেখেছে।

একদিকে কোভিড নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে অন্যদিকে নন-কোভিড চিকিৎসাসেবা বৃদ্ধি করা নিয়েও কাজ চলছে।

ইতিমধ্যে দেশের আট বিভাগে আটটি উন্নতমানের ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণকাজের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দেশের সব হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে’।

অনুষ্ঠানে করোনা মোকাবিলায় সরকারের সফলতা তুলে ধরে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সদের ধন্যবাদ জানান জাহিদ মালেক।

করোনা ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোনো দেশের ভ্যাকসিনের স্বীকৃতি দেয়নি।

যখনই কোনো দেশ স্বীকৃতি পাবে আমরা সবার আগে সেটি বাংলাদেশে নিয়ে আসব। ভ্যাকসিন আনতে সরকার অন্যান্য দেশের সঙ্গেও আলোচনা অব্যাহত রেখেছে’।

জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ প্রমুখ।

jahed3.jpg

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সামনে শীতকাল আসছে। এ সময় বিয়ে-শাদী বেশি হয়, পিকনিক বেশি হয়।

সামনে পূজা আছে, শীতে ওয়াজ মাহফিল হয়, যার কারণে সংক্রমণ বাড়তে পারে। এ অবস্থায় অনুষ্ঠানগুলো সীমিত করুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইউরোপ আমেরিকায় করোনায় দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে যেন সংক্রমণ না বাড়ে প্রধানমন্ত্রী সেদিকে খেয়াল রাখতে বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী এখন প্রতিটি প্রোগ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগের সফলতার প্রশংসা করেন। এ সফলতার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর, এরপর কৃতিত্ব ডাক্তার-নার্সদের।

তাদের কাজের কারণেই এ সফলতা এসেছে। আমি এখানে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি মাত্র।

আমেরিকা ইউরোপের বেহাল অবস্থা হয়েছে, এখনো আছে।

কিন্তু বাংলাদেশ সীমিত জনবল, টেকনোলজি নিয়েও সকলের পরিশ্রমে অন্য দেশের চেয়ে অনেক ভালো আছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেখতে হবে মৃত্যুর হার কেমন। আমাদের ১৮ কোটির মধ্যে ৫ হাজার মারা গেছে।

আমেরিকার জনসংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি মানুষ মারা গেছে। ইউরোপের চার-পাঁচ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে অনেক মানুষ মারা গেছে।

এসব তুলনা করলে বুঝতে পারি আমরা কোন অবস্থানে আছি। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করেন।

অনেকে নেতিবাচক কথা বলে, কিন্তু আমরা পিছপা হইনি। দেশের জন্য কাজ করে গেছি।

জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের করোনা টেস্টের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে। কিন্তু মানুষ টেস্ট করতে আসে না। আমি বলব আপনারা আসুন টেস্ট করুন।

নিজে ও পরিবার নিয়ে সাবধানে থাকুন। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম জনবল সংকটের কথা, তিনি বললেন দ্রুত নিয়োগ দিতে।

সে অনুযায়ী আমরা ১৫ দিনে ২ হাজার ডাক্তার ও ৪ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছি। যা এক বছরেও দেয়া যায় না।

স্বাস্থ্যসেবা ভালো আছে বলে জনগণের মধ্যে আস্থা এসেছে। স্বাস্থ্যসেবা ভালো না থাকলে কেউ ভয়ে বের হতো না।

এ সময় সেমিনারে সোসাইটি অব সার্জনস অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক এএইচএম তৌহিদুল আলমের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সলান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ প্রমুখ।

jahedmalek656u8.jpg

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনাকালে বিশ্বের অর্থনীতির চাকা স্থবির হয়ে গেলেও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আমাদের দেশে কৃষি, শিল্প, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রণোদনা দেওয়ায় অর্থনীতির চাকা এখনও সচল রয়েছে।

শনিবার সাটুরিয়া সরকারি আদর্শ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এক সুধী সমাবেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কভিড-১৯ মোকাবিলায় অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানানোয় এ সুধী সমাবেশের আয়োজন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্ষণ করলেই মৃত্যুদণ্ড। মা-বোনদের সঙ্গে ইজ্জত ও সম্মানের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ পেলে আমার মতো খারাপ আর কেউ হবে না।

তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পূজা উদযাপনের আহ্বান জানান।

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাটুরিয়া ৫০ শয্যা হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন করেন।

সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল সালাম, সাটুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো, সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন পিন্টু এবং আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা।